মহাকাশে বিরল ঘটনা, গ্রহাণু ভেঙে তৈরি হচ্ছে উল্কাবৃষ্টি
মহাকাশে এক বিরল event সাক্ষী হচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। সূর্যের কাছাকাছি পৌঁছে একটি বিশাল asteroid ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছে, এবং সেই fragments থেকে গঠিত হচ্ছে এক মনোমুগ্ধকর উল্কাবৃষ্টি। বিশেষজ্ঞদের মতে, পৃথিবী যখন এই মহাকাশের ধ্বংসাবশেষের মেঘের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করবে, তখন আকাশে উজ্জ্বল shooting stars দেখা যাবে। ইতিমধ্যে ২৮২টি উল্কা পাওয়া গেছে, যা একটি গুচ্ছের মতো একই দিক থেকে আসছে।
গবেষকদের মতে, এই উল্কাবৃষ্টির উৎস হলো একটি মৃতপ্রায় গ্রহাণু, যাকে বলা হচ্ছে ‘rock comet ’। সূর্যের অত্যধিক heat গ্রহাণুটির বাইরের স্তর ফাটিয়ে দিচ্ছে এবং gas বের হয়ে এসে ভেতর থেকে গঠনটিকে ধ্বংস করছে। NASA-এর বিজ্ঞানী প্যাট্রিক শোবার বলেন, এটি একটি লুকানো গ্রহাণুকে সূর্যের তাপে ভেঙে যেতে দেখার মতো বিরল discovery ।
এই গ্রহাণুটি সূর্যের খুব কাছাকাছি চলে যায় — পৃথিবীর তুলনায় পাঁচ গুণ কাছে — যা এর ভাঙনের প্রধান cause হিসাবে দেখা হচ্ছে। এছাড়া, এর গঠন fragile , কিন্তু ধূমকেতুর চেয়ে কিছুটা বেশি solid , যা গবেষণার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
নতুন উল্কাবৃষ্টিটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘এম২০২৬ এ১’। প্রতি বছর ১৬ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত এটি আকাশে দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি মানুষের জন্য শুধু একটি সৌন্দর্যময় দৃশ্য নয়, বরং মহাকাশের evolution এবং গ্রহাণু ও ধূমকেতুর আচরণ বোঝার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ clue ।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতিদিন হাজার হাজার ছোট space rocks পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। প্রতি সেকেন্ডে ১৫ মাইল বেগে এগুলো বাতাসের সঙ্গে friction তৈরি করে এবং উজ্জ্বল আলোর রেখা ফেলে, যা খালি চোখে দেখা যায়। এই ঘটনার মাধ্যমে মহাকাশের গোপন processes মানুষের কাছে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
বাস্তবিকই অবাক করা বিষয়, একটি গ্রহাণু ভাঙছে আর আমরা সেটা দেখতে পাচ্ছি। মহাকাশ কত রহস্যময় pressure চাপ আর heat তাপ নিয়ে কাজ করে তা ভাবলে মন খারাপ হয়।
আমার ছোটবেলায় উল্কা দেখলে দাঁত পড়ত! এখন শুনছি এগুলো আসলে মহাকাশের ভাঙা টুকরো, মানে fragments অংশ। বিজ্ঞান কতটা reality বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলে তা আর ভাবা যায় না।
‘রক কমেট’ নামটা শুনে মজা পেলাম। পাথর আর কমেটের মিশেল! কিন্তু এটা কি সত্যিই নতুন ধরনের বস্তু, নাকি আগেও দেখা গেছে? সেটা জানতে decision সিদ্ধান্ত নিতে চাই।
এই উল্কাবৃষ্টি দেখার plan পরিকল্পনা করছি। কিন্তু আমার শহরে আলোর pollution দূষণ তো বেশি, কীভাবে ভালো দেখব?
২৮২টা উল্কা শনাক্ত? অর্থাৎ এখনো বাকি আছে অনেক। এই ধরনের event ঘটনা পৃথিবীর কোনো risk ঝুঁকি তৈরি করতে পারে কি?
আমি মনে করি, এটা শুধু একটা দৃশ্য নয়, এটা একটা message বার্তা। মহাবিশ্ব কত নিয়মের মধ্যে নিজেকে ভাঙছে আর গড়ছে, তা বোঝার চেষ্টা করা উচিত।