যুদ্ধবিরতির সুযোগে মাটির নিচ থেকে মিসাইল লঞ্চার উদ্ধার করছে ইরান
যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে ইরান মাটির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার উদ্ধারের কাজ শুরু করেছে। new planটি হলো ভূগর্ভস্থ ঘাঁটির প্রবেশপথে জমে থাকা ধ্বংসস্তূপ সরানো, যা আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ব্লক হয়ে গিয়েছিল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের বিশ্লেষণ করা স্যাটেলাইট চিত্রে এই riskটা পরিষ্কারভাবে দেখা গেছে।
ওই চিত্রগুলোতে দেখা যাচ্ছে, এস্কেভেটর ও লোডার যন্ত্র দিয়ে মাটি ও ধ্বংসাবশেষ সরানো হচ্ছে, আর সেগুলো ডাম্প ট্রাকে তোলা হচ্ছে। এই ঘাঁটিগুলোকে 'মিসাইল সিটি' বলা হয়, যেখানে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লুকানো থাকে এবং প্রয়োজনে বাইরে বেরিয়ে হামলা চালায়। হামলার পর পুনরায় অস্ত্র মজুত করতে প্রবেশপথ খোলা অপরিহার্য।
মার্কিন গোয়েন্দা সূত্র অনুযায়ী, তীব্র এক মাসের সংঘর্ষের পরেও ইরানের প্রায় অর্ধেক লঞ্চার অক্ষত আছে। কিন্তু প্রবেশপথগুলো বন্ধ হওয়ায় অনেক লঞ্চারই মাটির নিচে pressureকে আটকা পড়ে আছে বলে মনে করা হচ্ছে। এটি ইরানের জন্য একটি বড় decision : উদ্ধার করা নাকি নতুন ঘাঁটি তৈরি করা।
জেমস মার্টিন সেন্টারের গবেষক স্যাম লেয়ার বলেন, এ ধরনের কাজ ছিল expected । তিনি ব্যাখ্যা করেন, "যুদ্ধবিরতি মানে প্রতিপক্ষকে সময় দেওয়া, যখন তারা নিজেদের সামরিক সক্ষমতা ফিরে পেতে চায়।" এটি না শুধু ইরানের কথা, বরং আধুনিক যুদ্ধের একটি সাধারণ reality ।
তিনি আরও যোগ করেন, ইরান এই ঘাঁটিগুলো ঠিক এই কারণেই বানিয়েছে: হামলা হজম করা, ধ্বংসস্তূপ সরানো এবং পুনরায় হামলা চালানো। এর মানে হলো, যুদ্ধবিরতি শুধু অস্ত্র নিষ্ক্রিয় করা নয়, বরং একটি সাময়িক pause , যখন প্রতিটি পক্ষ নিজের strategy আবার তৈরি করে।
এই ধরনের ঘাঁটি তৈরি করা আর ধ্বংস করা—দুটোই তো অপারেশনের অংশ। কিন্তু আসল cost খরচ তো মানুষের জীবনে, না?
যুদ্ধবিরতি মানেই যে শান্তি, এটা ভাবা ভুল। এটা শুধু পরবর্তী হামলার জন্য preparation প্রস্তুতি।
স্যাটেলাইট চিত্র দেখে বোঝা যাচ্ছে কীভাবে আধুনিক যুদ্ধ চলছে। কিন্তু এই support সমর্থন কাদের জন্য কার? কে কাকে সাহায্য করছে, তা তো স্পষ্ট নয়।
আমরা শুধু ইরানের কথা ভাবছি, কিন্তু প্রতিবেশী দেশগুলোর security নিরাপত্তা কী হবে, সেটা কেউ ভাবছে?
ইরান যদি আবার লঞ্চার চালু করে, তবে আঞ্চলিক tension উত্তেজনা আবার বাড়বে। আর তখন যুদ্ধবিরতি মানে হবে শুধু সময় কাটানো।
গবেষক ঠিকই বলেছেন—এটা আধুনিক যুদ্ধের cycle চক্র। ধ্বংস, পুনর্গঠন, আবার হামলা। কোনো শেষ নেই।