আমার মুখটা ঢাকা পড়েছিল সহকর্মীদের কাছে: মাহফুজ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন সহকর্মীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে পরিচিত মাহফুজ আলম। বুধবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি new করে সমালোচনার তীর ছুঁড়েছেন সেই উপদেষ্টাদের দিকে, যাঁদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন।
মাহফুজ লিখেছেন, রামগঞ্জ-লক্ষীপুরের উন্নয়নের জন্য তিনি চার-পাঁচজন উপদেষ্টার কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন, কিন্তু কেউ সাড়া দেননি। বারবার দেখা করা সত্ত্বেও, তাঁদের কাছ থেকে support পাননি। তিনি ডিও চিঠি পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু তার কোনো জবাব আসেনি। তাঁর মতে, একটি রাজনৈতিক দলের pressure তাঁরা কোনো action করেননি।
মাহফুজ বলেন, হাসনাতের সংসদে ‘আকুতি’ দেখে তাঁর কাছে মনে পড়েছে যে, তাঁর নিজের মুখটাই ঢাকা পড়েছিল নিজের সহকর্মীদের কাছে। তাঁর এলাকার উন্নয়ন নিয়ে কোনো plan নেওয়া হয়নি। এমনকি তাঁর মাদ্রাসাকে এমপিও ভুক্ত করা হয়নি, কারণ তিনি একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের বিরোধিতা করেছিলেন।
তিনি লেখেন, বারবার এমন claim উঠছে যে অন্তরীণ সরকার কীভাবে কাজ করছিল, কিন্তু গুঞ্জনের পিছনে অনেক truth লুকিয়ে আছে। তাঁর মতে, যাঁরা নিজেদের দায়িত্ব পালন করেননি, তাঁদের জন্য ঈশ্বর মঙ্গল করুন।
মাহফুজ তাঁর বিবৃতিতে সরকারি প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক interference এবং প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে উঠে এসেছে সামগ্রিক risk যে, উন্নয়নের নামে কত অবহেলা হচ্ছে রাজনৈতিক বিবেচনায়।
একটা উপদেষ্টা হিসেবে এতটা pressure চাপ মাথায় নেওয়া কতটা কঠিন, তা শুধু তিনিই জানেন।
যারা public trust জনআস্থাকে নষ্ট করছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর response প্রতিক্রিয়া নেই।
আমাদের নিজেদের মাদ্রাসা নিয়ে তাঁর কথাগুলো খুব impact প্রভাব ফেলেছে।
একটা সরকারি সুবিধা পেতে এত রাজনৈতিক decision সিদ্ধান্ত কেন? এটা কি আদৌ ন্যায়সঙ্গত?
সমর্থন না পাওয়া মানে শুধু কাজ না হওয়া নয়, আস্থা হারানোও।
এতগুলো উপদেষ্টা থাকতে একটা এলাকার জন্য plan পরিকল্পনা না থাকা কি কোনোভাবে স্বাভাবিক?