“শচীনকে কি ছক্কা মারতে বলবেন?”—গান না গাইতে সাফ জবাব
দিল্লির এক অনুষ্ঠানে guest হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগীতশিল্পী কৈলাস খের, কিন্তু কেউ যখন তাঁকে হঠাৎ request করল গান গাইতে, তখনই ভেঙে পড়ল সৌজন্যের মুখোশ। আলোচনা চলছিল, পরিবেশ গাম্ভীর্যপূর্ণ—এমন সময় মঞ্চে গান গাওয়ার চাপ তাঁকে প্রচণ্ড ক্রোধ আনে। এটা শুধু একটি ঘটনা নয়, এটা শিল্পীদের প্রতি সমাজের অবহেলার প্রতীক, যেখানে তাঁদের মানুষ হিসেবে নয়, বরং মনোরঞ্জনের machine হিসেবে দেখা হয়। কৈলাস খের বলেন, এ রকম behavior আর চলবে না।
তিনি যাঁদের কথা উল্লেখ করেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শচীন টেন্ডুলকার—যিনি ক্রিকেটের দুনিয়ার এক স্তম্ভ। একজন কি কখনো শচীনকে hit মারতে বলবেন? এমনটা কল্পনাও করা যায় না। কৈলাস খেরের প্রশ্ন সোজা কিন্তু তীব্র: কেন শুধু শিল্পীদের কাছ থেকে performance করার দাবি করা হয়? এটা কি এক ধরনের অশ্রদ্ধা? একজন ডাক্তার, বিজ্ঞানী বা ক্রীড়াবিদকে তো কেউ তাঁদের বিশেষজ্ঞতার বাইরে কাজ করতে বাধ্য করে না—তাহলে কেন শিল্পীদের বার বার এভাবে summon হয় মনোরঞ্জনের জন্য?
কৈলাস খেরের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল ব্র্যান্ডের জন্য jingle গাওয়া দিয়ে—কোকা-কোলা, পেপসি, হোন্ডা। কিন্তু তারপর তিনি গড়ে তুলেছেন এক সংগীতের সাম্রাজ্য। ২০০৩ সালে success এল 'আল্লাহ কে বান্দে' দিয়ে, আর ২০০৬ এর 'তেরি দিওয়ানি' হয়ে উঠল যুগান্তকারী হিট। তাঁর গাওয়া 'জয় জয়করা' থেকে 'জল রহি হ্যায় চিতা'—প্রতিটি গান উত্তরাধিকার হিসেবে টিকে আছে। এমন শিল্পীকে যখন একটি মঞ্চে দাঁড় করিয়ে হালকা ভাবে বলা হয় 'একটু গান গাইবেন?', তখন সেটা শুধু অসুবিধাজনক নয়, আঘাতকর।
এই ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় reaction এসেছে বিভিন্ন রকম। কেউ কেউ মনে করেন, দু লাইন গান গেয়ে যদি smile ফোটে, তবে সেটা ক্ষতির কিছু নেই। অন্যদিকে, অনেকে কৈলাসের পক্ষে দাঁড়িয়ে বলেছেন, শিল্পীদের মানবিক মর্যাদা রাখা উচিত। তাঁদের কাজ শুধু গান গাওয়া নয়, তাঁরা আবেগ, expression এবং সংস্কৃতি তৈরি করেন। একটি গানের জন্য তাঁদের প্রতি সম্মান কম হওয়া উচিত নয়।
ভাই, আপনি যদি কোনো ডাক্তারকে বলতেন, "একটু অপারেশন করে দেখান", তখন কি হত? doctor ডাক্তার তো শো দেখাতে আসেন না।
আমি মনে করি দু মিনিটের গানে যদি কারও happiness খুশি আসে, সেটা কি ভালো না?
শিল্পীদের সঙ্গে এমন আচরণ অশ্রদ্ধার। তাঁরা জোকার নন, তাঁরা artist শিল্পী।
আমার মনে হয় কৈলাস খের বেশি sensitive সংবেদনশীল হয়ে গেছেন। এটা তো সাধারণ অনুরোধ ছিল।
আপনি কি কখনো বিজ্ঞানী সি.ভি. রমনকে বলেছেন, "একটু পরীক্ষা করে দেখান"? তাহলে শিল্পীকে কেন?
এটা ভাবলেই খারাপ লাগে—আমরা শুধু তাদের entertainment মনোরঞ্জন চাই, কিন্তু তাঁদের মর্যাদা দিই না।