সাবেক মন্ত্রী দিনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে হাইকমিশনার করতে চলেছে ভারত
ভারত তার সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপি নেতা দিনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই appointment ঘিরে কূটনৈতিক মহলে চাপ তৈরি হয়েছে, কারণ দীর্ঘদিন পর একজন politician এই গুরুত্বপূর্ণ পদে আসছেন। এর আগে ভারতের হাইকমিশনারদের মধ্যে প্রায় সবাই ছিলেন পেশাদার diplomat ।
৭৫ বছর বয়সী ত্রিবেদী পশ্চিমবঙ্গের একজন বর্ষীয়ান নেতা, যিনি আগে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বর্তমানে বিজেপিতে রয়েছেন। তিনি ইউপিএ সরকারে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং health মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। ২০২১ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন, যা তার রাজনৈতিক ভাবমূর্তির এক বড় shift চিহ্নিত করে।
এই নিয়োগ এখনও বাংলাদেশ সরকারের approval পায়নি। যদি অনুমোদন পান, তিনি বর্তমান হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হবেন, যাকে ইতিমধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে transfer করা হচ্ছে। এটি দিল্লির পক্ষ থেকে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক rebuild করার ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে। সেই সময় relations খানিকটা শীতল হয়েছিল। কিন্তু বিএনপির তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর আবার tension কমছে।
এমন প্রেক্ষাপটে একজন রাজনৈতিক নেতাকে হাইকমিশনার পাঠানো দিল্লির কৌশলগত move হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি কেবল একটি diplomatic নিয়োগ নয়, বরং ক্ষেত্রে ভারতের influence পুনর্স্থাপনের চেষ্টা বলে বিশ্লেষকদের মত। এটি বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক strengthen করার দিল্লির পরিষ্কার ইচ্ছার প্রমাণ।
একজন রাজনীতিবিদকে পাঠানো মানে কূটনীতির চেয়ে politics রাজনীতি এগিয়ে রাখা। আশা করি এটি সম্পর্ক stability স্থিতিশীলতা আনবে, না আরও জটিলতা তৈরি করবে।
ত্রিবেদী পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট ভালো বোঝেন। এটি একটি ভালো signal সংকেত।
৭৫ বছর! age বয়স কি তার কাজে impact প্রভাব ফেলবে না? এটা নিয়ে অনেক concern উদ্বেগ।
পেশাদার কূটনীতিকদের বাদ দিয়ে রাজনীতিবিদ? এটা কি আসলেই diplomacy কূটনীতি নাকি ভারতের ঘরোয়া agenda সূচি?
বাংলাদেশে ভারতের trust বিশ্বাস ফেরানোর চেষ্টা। কিন্তু তার আগে কি আসল issue সমস্যা বোঝা হয়েছে?
এত রাজনৈতিক pressure চাপ নিয়ে কূটনীতি কি আদৌ effective কার্যকর হতে পারে?
এই move পদক্ষেপ কি শুধু বাংলাদেশে নাকি অন্যান্য প্রতিবেশীদের message বার্তা দেওয়ার জন্য?