চুক্তি স্থগিতের প্রস্তাব নাকচ জার্মানি-ইতালির, ইসরাইল ইস্যুতে বিভক্ত ইইউ
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং ইসরাইলের মধ্যকার cooperation agreement স্থগিত করার প্রস্তাব নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইউরোপ। তবে জার্মানি ও ইতালি এ ধরনের proposal স্পষ্টভাবে নাকচ করেছে। গাজায় চলছে লড়াই, লেবাননে সংঘাত চড়ছে, আর পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা সত্ত্বেও এই দুই ইউরোপীয় শক্তি decision নিয়েছে যে কূটনৈতিক সংলাপই রাখা উচিত।
লুক্সেমবার্গে হওয়া ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে স্পেন ও আয়ারল্যান্ড renewed উত্থাপন করে ২০০০ সালে স্বাক্ষরিত সেই চুক্তির বিষয়। কিন্তু জার্মানি ও ইতালি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে diplomatic dialogue ছাড়া আর কোনো পথ নেই। জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ওয়াডেফুল বলেন, সমালোচনা হতে পারে, কিন্তু তা যেন constructive হয়। চুক্তি বাতিল করা হবে না।
ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানিও একই সুরে বলেন, এ মুহূর্তে এমন কোনো step নেওয়া হচ্ছে না। তার মতে, সংলাপের মাধ্যমেই resolution খোঁজা উচিত। ইসরাইলের সামরিক কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন আয়ারল্যান্ডের ম্যাকএন্টি, যিনি বলেন, মানবাধিকারের প্রতি দৃষ্টি না দেওয়া মানে core values থেকে সরে যাওয়া।
বিশ্লেষকদের মতে, ইইউ-এর অভ্যন্তরে এখন policy division তৈরি হচ্ছে। একদিকে কিছু দেশ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়, অন্যদিকে গাজার মানবিক পরিস্থিতি চাপ তৈরি করছে যাতে চুক্তি নিয়ে reassessment করা হয়। ইসরাইলের প্রতি ইইউ-এর response এখন মূলত এই ভাবের দ্বন্দ্বে।
এই বিভাজন শুধু কূটনীতির নয়, এটি international influence ও নৈতিক দায়বদ্ধতারও বিষয়। ইইউ-এর একতা কতটা টেকসই হবে, তা নির্ভর করছে এই crisis মোকাবিলার কৌশলে। এখানে প্রতিটি সদস্য দেশের অবস্থানই এখন বিশ্ব রাজনীতিতে একটি significant impact ফেলছে।
চুক্তি স্থগিত করা হোক না হোক, গাজায় হাজার হাজার নিরীহ মানুষের মৃত্যু নিয়ে কি শুধু diplomatic silence কূটনৈতিক নীরবতা মানানসই হবে?
জার্মানি আর ইতালি কি খুব বেশি pragmatic বাস্তববাদী, না মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দূরে সরে গেছে?
ইইউ যদি নিজের core principles মূলনীতিগুলো ভুলে যায়, তবে তার আন্তর্জাতিক ক্রেডিবিলিটি কতদিন টিকবে?
লেবাননের পরিস্থিতি আরও complicate জটিল করছে। এখন আর শুধু গাজা নয়, পুরো অঞ্চলই আগুনের মুখে।
কূটনীতি ভালো, কিন্তু human cost মানবিক খরচ কি কখনো হিসাবের বাইরে থাকে?
আয়ারল্যান্ডের মতো ছোট দেশগুলোই কি বড় দেশগুলোর চেয়ে বেশি moral clarity নৈতিক স্পষ্টতা দেখাচ্ছে?