ট্রাম্পের প্রস্থান: কী দাম দিতে হবে?

ইতিহাস মাঝে মাঝে নিজেকে পুনরাবৃত্তি করে, কিন্তু কৌশল পাল্টায়। ১৯৬৮ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত secret বৈঠকের মাধ্যমে ভিয়েতনাম যুদ্ধ শেষ হয়েছিল, যেখানে হেনরি কিসিঞ্জার এবং লে ডাক থো মুখোমুখি বসেছিলেন। সেই আলোচনা ছিল জটিল, সূক্ষ্ম এবং মাঝে মাঝে প্রায় অসহ্য। আজকের পরিস্থিতি অনেক আলাদা: যুদ্ধ মাত্র কয়েক weeks ধরে চলছে, স্থলযুদ্ধের অভাব, বন্দীহীনতা, এবং শুধু দুই parties আলোচনায়। তবুও, কূটনীতি এখনো একটি সূক্ষ্ম খেলা। ট্রাম্প যদি কিসিঞ্জারের মতো strategy না খেলেন, তবে প্রস্থান হবে না।

ইরানের কৌশল আলাদা। তারা জানে যে তাদের আসল হাতিয়ার হলো economy , না কূটনীতি বা সমরবাহিনী। তারা এখনো তাদের পুরো শক্তি প্রদর্শন করেনি। তারা চায় যে আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের কর্মকাণ্ডের সম্পূর্ণ impact পড়ুক—তারপর তারা আলোচনায় বসবে। এখনকার স্থবিরতা তাদের পক্ষে। তারা জানে, সময় তাদের সঙ্গী, কারণ প্রতিদিনই মার্কিন অস্থিরতা বাড়ছে। তাদের patience প্রচুর, এবং তাদের ইতিহাস সেটা প্রমাণ করে।

বিশ্ব ইতিমধ্যে অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। তেলের shortage আর শুধু দাম বাড়ার ব্যাপার নয়—এখন তেলের ভৌত supply কমছে। বাংলাদেশে গ্যাস ঘাটতিতে সার কারখানা বন্ধ, পেট্রল পাম্পে কিলোমিটার লম্বা লাইন। শ্রীলঙ্কায় সেনাবাহিনী, ফিলিপাইনে ৯৮ হাজার পুলিশ মোতায়েন। এশিয়া জুড়ে জ্বালানি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে। ইউরোপে জেট ফুয়েলের মজুত ফুরিয়ে আসছে। মানুষ panic তেল কিনতে ছুটছে।

উপসাগরীয় দেশগুলোও নিরাপদ নয়। কাতার তিন বিলিয়ন ডলারের জরুরি বন্ড ছেড়েছে, যা বড় আকারের অর্থ উত্তোলনের চাপ সামলাতে। সংযুক্ত আরব আমিরাত আমেরিকার treasury বিভাগের কাছে জরুরি সোয়াপ লাইনের আবেদন করেছে—স্পষ্ট সংকেত যে নগদ অর্থসংকট চলছে। যদি এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে প্রভাব শুধু জ্বালানি বাজারে নয়, বরং manufacturing এবং পেট্রোলিয়ামজাত কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল অন্যান্য খাতগুলোতেও ছড়িয়ে পড়বে।

ট্রাম্প প্রশাসনের ক্ষমতা ক্রমে decline পাচ্ছে। যখন তেলের আসল দাম এবং সরবরাহের প্রভাব পুরো বিশ্ব অর্থনীতিতে ছড়িয়ে পড়বে, তখন যে ধ্বংসলীলা হবে, তার কাছে ২০০৮ সালের সংকটও ছোট মনে হতে পারে। ইরান হয়তো এই মুহূর্তের অপেক্ষায় আছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো: কতদিন আমেরিকা এই pressure সহ্য করবে? এবং কতদিন ট্রাম্পের ভোটাররা endure করবেন? উত্তর হয়তো এই অপেক্ষার মধ্যেই লুকিয়ে আছে।

প্রতিক্রিয়া 8

  • আলোর_পথ

    ট্রাম্পকে সত্যিই কিসিঞ্জারের মতো diplomacy শিখতে হবে।

  • রহমান_ভাই

    আমাদের দেশে লোডশেডিং আর পেট্রল লাইন—সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুগছে।

  • গ্লোবাল_চক্ষু

    ইরানের অর্থনৈতিক হাতিয়ার কতটা শক্তিশালী, তা আমরা এখন দেখছি। তারা সত্যিই গণনা করে চলছে।

  • নীরব_মন

    ভিয়েতনামের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে, কিন্তু এখনকার যুদ্ধ তো আর্থিক warfare —এটা ভুলে গেলে চলবে না।

  • সামিনা_এ

    যদি তেলের সরবরাহ আরও কমে, তাহলে খাদ্য ও ঔষধের মূল্যও বাড়বে। সেটা ভাবলেই ভয় পাই।

  • তথ্যবিদ

    কাতার এবং আমিরাতের আর্থিক চাপ দেখে বোঝা যাচ্ছে যে এই সংকট শুধু উৎপাদনকারী দেশগুলোকেও গ্রাস করছে।

  • সন্দেহবাদী

    ট্রাম্প কি সত্যিই চাইছেন যুদ্ধ থেকে বেরোতে, না শুধু মুখে বলছেন? exit চাইলে তো আগে থেকে কৌশল ঠিক করতে হয়।

  • শান্তিকামী

    যুদ্ধ কখনো সমাধান নয়। আলোচনাই একমাত্র solution

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]