ইসরায়েল আমাকে ইরান যুদ্ধে প্ররোচিত করেনি: ট্রাম্প
ইসরায়েল তাকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার জন্য pressure দেয়নি, এমনটাই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার এক সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানান, এই military action ছিল তাঁর নিজের সিদ্ধান্ত। তার মতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা এবং ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চিরস্থায়ী threat তাঁকে এই সিদ্ধান্তে উদ্ধুদ্ধ করেছিল।
কিন্তু মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসি গ্যাবার্ড সম্প্রতি কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিয়ে বলেছেন যে ইরান বর্তমানে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র developing করছে না। আগের বছরের জুনে মার্কিন হামলার পর ট্রাম্প নিজেই বলেছিলেন যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি completely ধ্বংস হয়ে গেছে। এই বিরোধপূর্ণ তথ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে যে, আদৌ কতটা credible এই সামরিক হস্তক্ষেপের কারণ।
এই যুদ্ধের প্রভাব এখন বিশ্বব্যাপী অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের শীর্ষ নেতা আলি খামেনিসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিহত করার পর ইরান হরমুজ প্রণালী blocked করে দেয়। এটি বিশ্ব জ্বালানি বাজারে একটি বড় crisis তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম প্রতি গ্যালনে ৪ ডলারের above পৌঁছেছে, যা সরাসরি সাধারণ মানুষের বাজেটে চাপ সৃষ্টি করছে।
যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়ছে, আর এই যুদ্ধের প্রতি জনগণের disapproval দিন দিন বাড়ছে। এনবিসি নিউজের একটি সাম্প্রতিক জরিপে বলা হয়েছে, কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ আমেরিকান dissatisfied ট্রাম্পের এই সামরিক সিদ্ধান্ত নিয়ে। এই আন্তর্জাতিক ঘটনার প্রভাব শুধু সামরিক নয়, বরং অর্থনৈতিক ও সামাজিক impact এখন বিশ্বব্যাপী অনুভূত হচ্ছে।
ইসরায়েলের ওপর এতটা blame দোষ চাপানো হচ্ছে না কেন? তারা তো এই যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি লাভবান।
৪ ডলারের above উপরে পেট্রোলের দাম? এটা তো মানুষের দৈনিক যাতায়াতে বিপর্যয় ডেকে আনবে।
গোয়েন্দা প্রধান বলছেন পারমাণবিক হুমকি নেই, আর প্রেসিডেন্ট বলছেন আছে। এই বৈপরীত্য কি আসলে justification যুক্তি খুঁজছে যুদ্ধের?
আগে বললেন কর্মসূচি ধ্বংস, এখন আবার হুমকি আছে? এই contradiction বৈপরীত্য কি জনগণের বিশ্বাস ভাঙবে না?
ইরানের মতো বন্ধ করা হরমুজ প্রণালী হলো বিশ্ব বাণিজ্যের একটা critical গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
যুদ্ধের সিদ্ধান্ত যদি সত্যিই নিজের হয়, তবে এর consequences পরিণতি কি তিনিই বহন করবেন?