জ্বালানি সংকটে বিমানসেবা সাময়িক বন্ধ করছে লুফথানসা
ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির মূল্য risk তৈরি করেছে, আর এই সংকটের মুখে প্রথম বড় আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন হিসেবে অসংখ্য উড়োজাহাজ decision নিয়েছে লুফথানসা। যুদ্ধের কারণে fuel ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধি তীব্র হওয়ায় জার্মানির এই বিমানসংস্থা ২৭টি বিমান আপাতত বসিয়ে রাখবে। এটি হচ্ছে বৈশ্বিক বিমান পরিবহন খাতের জন্য এক warning যে যুদ্ধের প্রভাব এখন সাধারণ মানুষের ভ্রমণেও পড়ছে।
এয়ারলাইনগুলোর জন্য pressure তৈরি হয়েছে দ্রুত বাড়ানো খরচের কারণে। অনেক সংস্থা ইতিমধ্যে ভাড়া বাড়িয়েছে, surcharge আরোপ করেছে, এবং কম লাভজনক রুট কমিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও বেশি সংস্থা তাদের capacity কমাতে পারে। উড়োজাহাজ খাত এখন সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় crisis মোকাবিলা করছে, বিশেষ করে উত্তর গোলার্ধের গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণের আগে এ সময়ে।
যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ায় বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। ফলে market তেলের দাম এক সময় ১১৯ ডলার প্রতি ব্যারেল ছাড়িয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে না শুধু বিমানসেবায়, বরং পুরো বিশ্ব economy এটি তীব্র impact ফেলেছে। প্রতিটি ভ্রমণকারী, প্রতিটি শিল্প এখন cost বৃদ্ধির মুখোমুখি।
এদিকে ইরান decision নিয়েছে প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়ার, যা আশার আলো দেখাচ্ছে। কিন্তু এই move কতটা স্থায়ী হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা এখন এয়ারলাইনগুলোর financial result খতিয়ে দেখছেন, কারণ এগুলোই বলবে কী ধরনের ভবিষ্যৎ পথ নেবে বিশ্বের বিমান পরিবহন। একটি সাময়িক সিদ্ধান্ত কি ক্রমশ স্থায়ী পরিবর্তনের sign দিচ্ছে, তা দেখার বিষয়।
আমার শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। direct cost সরাসরি খরচ ছাড়াও সময় নষ্ট হচ্ছে। এই সংকট শুধু টাকার নয়, মানসিক চাপএরও।
ইরান প্রণালি খুললেও বিমানসংস্থাগুলো এখন ভবিষ্যতের risk ঝুঁকি নিতে চায় না। তাই বিমান বসানো বা রুট কাটা হচ্ছে। এটা শুধু যুদ্ধের প্রতিক্রিয়া নয়, long-term plan দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
আমাদের দেশের মানুষের জন্য আন্তর্জাতিক ভ্রমণ এমনিতেই ব্যয়বহুল। এখন extra charge অতিরিক্ত চার্জ আর বাতিলের আশঙ্কায় ভ্রমণ plan পরিকল্পনা করা আরও কঠিন হচ্ছে।
সব সময় রাজনীতিকদের সিদ্ধান্তের পরিণতি ভোগ করে সাধারণ public মানুষ। যুদ্ধ বন্ধ করুন, আমরা না চাই conflict দ্বন্দ্ব, না চাই বাড়তি cost খরচ।
আমি প্রতি মাসে বিভিন্ন দেশে যাই। এখন এয়ারলাইনগুলো বাড়তি surcharge সারচার্জ আর অনিশ্চিত শিডিউল দিচ্ছে। এটা এক আস্থার সংকট, নয় কি?
হরমুজ খুললেও তেলের দাম কেন কমছে না? এটা কি শুধু বাজারের হেঁসেলামি, নাকি সত্যিই সরবরাহ issue সমস্যা চলছে?