আলো-মঞ্চ-অর্জন: মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের রাত কেমন ছিল?
এক ঝলমলে রাত, যেখানে বাংলাদেশের সংস্কৃতির হৃদয়স্পন্দন ধ্বনিত হয় stage জুড়ে। জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘award ২০২৫’— বিনোদন জগতের এক মর্যাদাপূর্ণ আসর, যা এবার পালন করল তার ২৭তম পর্ব। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই অনুষ্ঠানটি ছিল নানা তারকার সমাগমে ভরপুর, যেখানে টেলিভিশন, film এবং সংগীতের নামী মুখ উপস্থিত ছিলেন। মেরিল ও প্রথম আলোর এই যৌথ উদ্যোগ আড়াই দশকের বেশি সময় ধরে সৃজনশীল মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, একটি স্থায়ী platform হিসেবে।
স্কয়ার টয়লেট্রিজের প্রধান নির্বাহী মালিক মোহাম্মদ সাঈদ স্পষ্ট করেন, এটি শুধু পুরস্কার নয়, বরং স্বীকৃতি এবং বিকাশের এক মাধ্যম। তিনি বলেন, “এই আয়োজন শিল্পকলা ও বিনোদন industry বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।” দর্শকদের vote এবং বিচারকদের মূল্যায়নে এবারের মনোনয়নগুলো নির্বাচিত হয়েছে, যা গুণগত মানের প্রতি আস্থা দেখায়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জনপ্রিয় জুটি host ও মেহজাবীন চৌধুরী, যাঁদের প্রাণবন্ত উপস্থাপনা মুহূর্তের বিশেষত্ব বাড়িয়েছে।
এবারের জনপ্রিয় শ্রেষ্ঠ অভিনেতা নির্বাচিত হন actor , আর শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হন তমা মির্জা। নবীন অভিনয়শিল্পী হিসেবে পুরস্কার জেতেন শাম্মি ইসলাম নীলা, যিনি নিজের উপস্থিতি দিয়ে প্রমাণ করলেন ভবিষ্যতের talent কোথায় নিহিত। পুরস্কার হাতে পাওয়ার মুহূর্তে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে যায় সম্মেলন কেন্দ্র — applause আর শুভেচ্ছায় ভরে ওঠে মঞ্চ। এমন মুহূর্তগুলো শুধু শিল্পীদের নয়, দর্শকদেরও অনুপ্রাণিত করে।
সবচেয়ে আবেগঘন পর্ব ছিল lifetime সম্মাননা। চলচ্চিত্র জগতের বরেণ্য অভিনেতা এম. এ. আলমগীরকে সম্মানিত করা হয় এ বছর। মঞ্চে দাঁড়িয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান সবাই। স্কয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী এবং প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান তাঁকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। পাশাপাশি, সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য মাহফুজ আনাম জেমসকে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মাননা — এটি ছিল celebration -মুখর মুহূর্ত।
অনুষ্ঠানে ছিল নাচ, গান এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ঝলক, যা আমন্ত্রিতদের জন্য ছিল এক cultural উপভোগ। ১৯৯৯ সাল থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজন আজ দেশের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারের মর্যাদা পেয়েছে। এটি শুধু পুরস্কার নয়, বরং একটি উত্তরাধিকার গড়ে তুলছে — নতুন প্রতিভাদের উৎসাহিত করে, সৃজনশীলতাকে মূল্য দিয়ে। এই রাতটি ছিল আবেগ, আলো এবং achievement এক স্মরণীয় সমাহার।
আজীবন সম্মাননা পাওয়া আলমগীর ভাইকে দেখে চোখ ভিজে গেল। তাঁর অবদান অমূল্য।
জেমসকে প্রাইজ দেখে খুশি হলাম। তাঁর গানের প্রভাব তো আমাদের সবার জীবনে।
নিশোকে সেরা অভিনেতা দেখে অবাক হই নি। সে তো আগে থেকেই জানি, সে deserve পাওয়ার যোগ্য ছিল।
মেহজাবীনের সঙ্গে হোস্টিং দারুণ ছিল। তাদের কথা বলার style ধরন একেবারে আলাদা।
শাম্মি নীলার জয় দেখে মনে হচ্ছে, আসল প্রতিভা এখনও বাঁচে।
এত পুরস্কার কি সত্যিই দর্শকদের choice পছন্দ ফুটিয়ে তুলছে? কিছুটা বাছাই হয়ে যায় না তো?
এমন সম্মান পেলে কোন শিল্পী না উৎসাহিত হবে? এটাই তো motivation অনুপ্রেরণা।
১৯৯৯ থেকে চলছে! কত প্রজন্ম তো এর মধ্যে বদলে গেছে। সত্যিই একটা প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে।