আনন্দবাজার ডট কম ‘ভোট-তর্ক’ পর্ব ৬: ভোটে ইস্যু কি হবে দুর্নীতি?
গত পাঁচ বছর ধরে রাজ্যের public life জুড়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে বারবার। বিভিন্ন sector —শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুলিশ—সব জায়গাতেই ক্ষোভ ছড়িয়েছে। বিরোধী দলগুলি নিয়মিত শাসকদলকে এই corruption নিয়ে আক্রমণ করে আসছে। কিন্তু এই অভিযোগগুলি কি আগামী বছরের বিধানসভা ভোটে মূল issue হিসেবে উঠে আসবে? এই প্রশ্ন নিয়ে আনন্দবাজার ডট কমের ‘ভোট-তর্ক’ পর্ব ৬-এ তীব্র বিতর্কের মুখোমুখি হলেন রাজনৈতিক নেতা ও বিশ্লেষকরা।
বিজেপির কেয়া ঘোষ স্পষ্ট করেন, জনগণ আর বিশ্বাস হারাচ্ছেন। তাঁদের মতে, শাসন দলের বিরুদ্ধে জমা হওয়া অভিযোগগুলি শুধু কথা নয়; সেগুলি ঘটনার reality । তিনি বলেন, "একের পর এক scandal প্রমাণ করছে যে ক্ষমতা অপব্যবহার চলছে।" অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক-উর রহমান এগুলি রাজনৈতিক হামলা বলে উড়িয়ে দেন। তাঁর যুক্তি, বিরোধীরা distraction সৃষ্টি করতে চাইছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক সুমন ভট্টাচার্য বলেন, দুর্নীতি আসলে একটি জটিল ইস্যু। ভোটাররা কেবল অভিযোগ নয়, governance ও development দেখেন। তবে বারবার ঘটা অনিয়ম সত্ত্বেও যদি কোনও জবাবদিহিতা না আসে, তাহলে তা রাজনৈতিক দাম চাইতে পারে। তিনি মনে করেন, আসন্ন নির্বাচনে এটি একটি silent factor হিসেবে কাজ করবে।
স্বদেশী জাগরণ মঞ্চের ধনপত আগরওয়াল বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে দুর্নীতি মানে কেবল টাকার অপচয় নয়, তার মানে trust হারানো। যদি সরকার এই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে না পারে, তবে public support ক্রমশ ক্ষয়ে যাবে। তাঁর মনে হয়, ভোটের আগে এই pressure আরও বাড়বে।
২০২৬-এর নির্বাচন এখনও দূরে থাকলেও, রাজনৈতিক climate ইতিমধ্যে উত্তপ্ত। দুর্নীতি নিয়ে এই বিতর্ক কেবল রাজনীতির বাইরে নয়, এটি সমাজের স্বাস্থ্যের লক্ষণও। ভোটারদের আগ্রহ কোথায় থাকবে—অভিযোগে, বিকাশে নাকি বৈচিত্র্যময় প্রতিশ্রুতিতে—সেটাই হবে নির্ণায়ক। আপাতত, দুর্নীতি কেবল আলোচনার বিষয় নয়, warning হয়ে উঠছে।
দুর্নীতি নিয়ে কথা বলা হয়, কিন্তু action ব্যবস্থা কখনও হয় না। এটা কি আর স্বাভাবিক?
এত কেলেঙ্কারি হওয়া সত্ত্বেও কেন কেউ জবাবদিহিতা দেয় না? এটা গণতন্ত্রের জন্য ভয়ঙ্কর।
বিরোধীরা কেবল noise শোরগোল তোলে, কিন্তু কোনও alternative বিকল্প আনে না।
জনগণের trust বিশ্বাস একবার গেলে ফেরানো খুব কঠিন।
দুর্নীতি কি সত্যিই ভোটের ইস্যু হবে, নাকি শুধু rhetoric বক্তৃতা?
যদি উন্নয়ন থাকে, তাহলে মানুষ কি scandal কেলেঙ্কারি ভুলে যায়?
এই বিতর্কগুলি কি আসলে মানুষের কথা না বলে শুধু নেতাদের survival টিকে থাকার লড়াই?
ভোটাররা চায় কাজ, না কথা? পারফরম্যান্স দিতে হবে।