লেবানন-ইসরায়েল আলোচনা, হরমুজে সংকট: শান্তির আশা নাকি নতুন ঝুঁকি?
দক্ষিণ লেবাননে ongoing conflict নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, যেখানে ইসরায়েল হেজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে military attacks চালাচ্ছে। এর মধ্যেই আজ মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবাননের রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যাতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও উপস্থিত থাকবেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় এখন পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত ও ছয় হাজারের বেশি আহত হয়েছেন, আর লাখ লাখ মানুষ displaced হয়েছেন।
হেজবুল্লাহ নেতা নাঈম কাশেম সোমবার লেবানন-ইসরায়েল বৈঠক বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন, কারণ গোষ্ঠীটি ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনাকে reject করে। তবে মার্কিন মধ্যস্ততা এই বৈঠকের মাধ্যমে দ্রুত ceasefire নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। বৈঠকে দক্ষিণ লেবাননে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য রাখা হয়েছে, যা অনেকের কাছেই এখন urgent priority ।
অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালীতে ইরানের জাহাজ চলাচল বন্ধের প্রেক্ষাপটে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানকে economic sabotage অভিযুক্ত করেছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন, যদি ইরান এ ধরনের coercive policy অব্যাহত রাখে, তবে কোনো ইরানি জাহাজই বাইরে আসতে পারবে না। এই ঘটনা বিশ্ববাজারে oil prices নাড়া দিয়েছে, যা সোমবার ১০০ ডলারের উপরে উঠেছিল, কিন্তু আলোচনার আশায় সামান্য কমেছে।
ইসলামাবাদে সম্প্রতি হওয়া মার্কিন-ইরানি আলোচনা অবিস্ফোটিত হলেও দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ রয়েছে। ইরান পাঁচ বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের প্রস্তাব দিয়েছে, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০ বছরের সময়সীমা চেয়ে rejected করেছে। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখনও significant gap রয়ে গেছে, তবে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা এখনও alive আছে।
এদিকে, ইসরায়েলের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে দেখা গেছে, যদিও সাধারণ নাগরিকরা যুদ্ধে exhausted , কিন্তু প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ যুদ্ধবিরতির বিরোধী। প্রায় ৪১% উত্তরদাতা মনে করেন যে যুদ্ধবিরতি উচিত, কিন্তু ৩৯.৫% ইরানের ওপর continued pressure রাখার পক্ষে। 'হতাশা', 'বিভ্রান্তি' এবং 'রাগ' হলো জনগণের প্রধান অনুভূতি—যা দেশটির গভীর public sentiment প্রকাশ করছে।
এই বৈঠক কি সত্যিই breakthrough অগ্রগতি আনবে, নাকি আরেকটা আন্তর্জাতিক নাটক?
তেলের দাম যদি আবার বাড়ে, তাহলে জ্বালানি ও পরিবহনের খরচ আমাদের directly সরাসরি প্রভাবিত করবে।
মানুষ মরছে, বাড়ি হারাচ্ছে—এখন শান্তি ছাড়া human cost মানবিক বিবেচনা কোথায়?
হেজবুল্লাহ আলোচনা মানবে না, ইরান মানবে না—সবই তো জানা কথা। মার্কিন diplomacy কূটনীতি কি আসলেই কাজ করবে?
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ইরান চায় পাঁচ বছরের জন্য স্থগিত, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০ বছর চায়—এটা কি সত্যিই বাস্তবসম্মত compromise আপোষ?
যদি হরমুজে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে গোটা মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল spiral অবনতির দিকে যাবে।