বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী নারী অভিনেত্রী নির্বাচিত হলেন অ্যান হ্যাথাওয়ে
হলিউডের জানা মুখ অ্যান হ্যাথাওয়ে এবার the year's পিপল ম্যাগাজিনের ‘ওয়ার্ল্ডস মোস্ট বিউটিফুল’ কভারে হাজির হয়েছেন। এই সম্মানটি শুধু তার রূপগুণের জন্য নয়, বরং তার personal journey এবং ক্যারিয়ারের বদলে যাওয়া দৃষ্টিভঙ্গির জন্যও। ৪৩ বছর বয়সে অ্যান নিজেকে খুঁজে পাচ্ছেন এক নতুন আঙ্গিকে—যেখানে আর নেই ক্যারিয়ারের তাগিদে নিজেকে pushing দেওয়া, আছে শুধু জীবনের মুহূর্তগুলোকে embracing করা।
তিনি জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতে নিজেকে কঠোর রাখলে ভালো অভিনেত্রী হওয়া যাবে—এমন ধারণা ছিল। কিন্তু চল্লিশে পড়ে তার মনোভাবে এলো a shift । তিনি বলেন, “আমি আর অস্বস্তিকর জীবন কাটাতে চাই না। আমি শুধু জীবনের joy উপভোগ করতে চাই।” এই mindset তার ক্যারিয়ারে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।
অ্যানের ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০১ সালে ‘দ্য প্রিন্সেস ডায়েরিজ’ দিয়ে। এরপর ‘ব্রোকব্যাক মাউন্টেন’, ‘বিকামিং জেইন’, ‘এলিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’-এর মতো বিভিন্ন ধরনের চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ‘লা মিজারেবলস’-এ অভিনয়ের জন্য তিনি পান অস্কার। এ বছর তার অভিনীত পাঁচটি films মুক্তি পাবে, যার মধ্যে সবচেয়ে অপেক্ষিত হলো ‘দ্য ডেভিল ওয়ারস প্রাডা টু’। প্রায় বিশ বছর পর আবার ফিরছেন অ্যান্ডি স্যাকস চরিত্রে। সহশিল্পীদের সঙ্গে পুনর্মিলন তাকে দিয়েছে nostalgia আর নতুন শক্তির মিশেল।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি জুয়েলারি ডিজাইনার অ্যাডাম শুলমানের সঙ্গে ১৩ বছরের সুখী বিবাহজীবন কাটাচ্ছেন। তাদের দুটি পুত্রসন্তান রয়েছে। অ্যান মনে করেন, পরিবারই তাকে বাস্তবতার grounded রাখে। তবু তিনি স্বীকার করেন, এত সাফল্যের পরও জীবনে একটা অবিরাম struggle চলছে। কিন্তু এই লড়াইকে তিনি ভালোবাসেন—কারণ এটাই তাকে alive রাখে।
অ্যান বলেন, “আপনি সবসময় খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থাকেন। আপনি পড়ে যান, আবার উঠে দাঁড়ান। কিন্তু আমি এটা ভালোবাসি। আমি ঝুঁকি নিতে ভালোবাসি।” তার এই কথাগুলো শুধু ক্যারিয়ার নয়, জীবনের সাধারণ truth কথাও বলে। তার মতে, সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো—পেছনে ফিরে তাকিয়ে বলতে পারা, “ওহ, আমি এটা করেছি।”
৪৩ বছরে এত confidence আত্মবিশ্বাস দেখে অবাক লাগে। আমরা অনেকেই বয়সের চাপে নিজেকে হারিয়ে ফেলি।
‘দ্য ডেভিল ওয়ারস প্রাডা টু’ দেখার জন্য মনটা অধীর। মেরিল স্ট্রিপের সেই চরিত্র ফিরছে—এটা শুধু নস্টালজিয়া নয়, একটা cultural moment সাংস্কৃতিক মুহূর্ত।
সবাই বলে ‘জীবনের আনন্দ নাও’, কিন্তু অ্যানের মতো ব্যস্ত জীবনে এটা কতটা realistic বাস্তবসম্মত?
অস্কারজয়ী অভিনেত্রী হওয়ার পরও যে মানুষটা বলে, ‘আমি এটা করেছি’—এটাই তার সবচেয়ে বড় মানবিকতা।
বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী নারী বললে শুধু রূপ নয়, সেই ভেতরের grace মাধুর্য বোঝায়।
এত সাফল্যের পরেও যে একটা অবিরাম fight লড়াই আছে—এটা অনেকেরই গল্প।