অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারানোর অপেক্ষায় সরকার; কার্যত অচল দুদক
গত মার্চ মাসের শুরুতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর চেয়ারম্যানসহ তিন সদস্যের পদত্যাগের পর থেকে সংস্থাটি public trust নিয়ে সংকটে পড়েছে। কমিশনের অনুমোদন ছাড়া কোনো মামলা, চার্জশিট বা অভিযুক্তের বিদেশ যাওয়া নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না—ফলে গোটা দুর্নীতিবিরোধী action প্রায় স্থবির হয়ে আছে। এই অচলাবস্থার মূল কারণ হলো সরকারের দুদক (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ সংসদে বিল হিসেবে decision না করার পছন্দ, যার ফলে ১১ এপ্রিল মধ্যরাতের পর অধ্যাদেশটি কার্যকরিতা হারাবে।
অধ্যাদেশ অনুযায়ী, কমিশনার নিয়োগের জন্য সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতির নেতৃত্বে একটি সার্চ কমিটি গঠন করা হবে, যেখানে থাকবেন হাইকোর্টের বিচারপতি, সিএজি, পিএসসি চেয়ারম্যান, সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্য এবং একজন ১৫ বছরের অভিজ্ঞ দুর্নীতিবিরোধী ব্যক্তি। এই কমিটি প্রার্থীদের ছাঁটাই করে রাষ্ট্রপতির কাছে দুইজন করে সুপারিশ করবে। কিন্তু সংসদে বিল পাশ না হলে এই plan কাজে লাগবে না। বরং ফিরে আসবে ২০০৪ সালের আইন, যেখানে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি কাজ করে এবং কমিশন হয় তিন সদস্যবিশিষ্ট।
এই বিল না হওয়ায় দুদক এখন নেতৃত্ববিহীন—যা নিয়ন্ত্রণহীন risk তৈরি করছে। দুদকের এক কর্মকর্তা বলেন, "গত দেড় বছরে সবচেয়ে বড় দুর্নীতিবিরোধী ড্রাইভ চালিয়েছি। কিন্তু কমিশন না থাকায় অনুসন্ধান বা মামলা অনুমোদন করা যাচ্ছে না। অভিযুক্তদের দেশত্যাগের pressure বাড়ছে।" ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, "নেতৃত্বহীন দুদক কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। ফলে সংস্থাটি একপ্রকার অকার্যকর হয়ে পড়েছে।"
আগের বছরগুলোর তুলনায় ২০২৫ সালে দুদকের কর্মকাণ্ড ছিল অসাধারণ। মাত্র এক বছরে ৮৭৪টি মামলা করা হয়, যা ২০২৪-এর ৪৫১টির চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। অনুসন্ধানের সংখ্যাও বেড়ে হয় ২ হাজার ৫৩৬-এ, যা ২০২৪-এ ছিল ৮৪৫। সবচেয়ে চমক এলো সম্পদ জব্দের ক্ষেত্রে—মোট ৩০ হাজার ৩৫২.৭৫ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ ও ফ্রিজ করা হয়, যা ২০২৪-এর মাত্র ৩৬১.৪৫ কোটি টাকার তুলনায় আকাশছোঁয়া। জরিমানা আদায়ও বেড়েছে চারগুণ, এবং রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ইতোমধ্যে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা জমা হয়েছে।
এত রেকর্ড কাজের পরও দুদক যদি রাজনৈতিক pressure বা প্রতিষ্ঠানিক অনীহার কারণে থেমে যায়, তাহলে তা কেবল একটি সংস্থার পতন নয়, গোটা দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের জন্য এটি হবে মারাত্মক blow । বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের সদিচ্ছা এখন পরীক্ষার মুখে। যদি সংসদে এই বিল পাশ হয়, তবে দুদক আবার গতি পাবে। আর না হলে, এই অচলাবস্থা আরও বাড়বে, এবং public trust আরও ক্ষুণ্ণ হবে।
অধ্যাদেশ না পাশ হলে দুদক কি শুধু কাগজে-কলমে থাকবে? কী হবে চলমান মামলাগুলোর status অবস্থান?
২০২৫-এ এত সাফল্য, কিন্তু এখন থেমে যাচ্ছে? রাজনৈতিক interference হস্তক্ষেপ ছাড়া এটা বোঝা যায় না।
সরকার যদি সত্যিই দুর্নীতি চাপা দিতে চায়, তাহলে এই বিল না পাশ করাটাই তার প্রমাণ। clear স্পষ্ট না?
নেতৃত্ব না থাকলে সংস্থা কীভাবে কাজ করবে? কর্মীরা কি শুধু রিপোর্ট লিখেই সময় কাটাবে? absurd অসম্ভব।
আগের নিয়মে ফিরলে আবার সেই পুরনো দালালি network জাল ফিরে আসবে। সার্চ কমিটি তো স্বাধীন হতে হবে।
১১ এপ্রিল পর কী হবে, সেটা নিয়ে কেউ কি স্পষ্ট update আপডেট দেবে? নাকি আবার অপেক্ষা?