হরমুজে ‘পুলিশ’ হিসাবে কাজ করলে মার্কিন জাহাজ ডুববে, সতর্ক করল ইরান
হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজগুলি ডুবে যাবে যদি তারা সেখানে ‘পুলিশ’ হিসাবে কাজ করতে চায়, এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতাবা আলী খামেনেই-এর সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাঈ। সতর্কবার্তাটি আসছে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়ার পরে, যখন ফেব্রুয়ারি ২৮-এ মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ হামলার পর ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়।
উত্তরে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রণালী এবং ইরানের বন্দরগুলিতে একটি নৌ অবরোধ চাপিয়ে দেয়। ইরানী রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে কথা বলে রেজাঈ সরাসরি মার্কিন প্রশাসনের অবস্থানের উদ্দেশ্যে pressure তৈরি করেন। তিনি বলেন, "ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীতে পুলিশ হতে চান। এটা কি আপনাদের কাজ? মার্কিন সামরিক বাহিনীর মতো একটি শক্তিশালী বাহিনীর কাজ কি এটা?"
রেজাঈ সতর্ক করেন যে অবরোধ জারি করা মার্কিন নজরদারি ও নৌ জাহাজগুলি অত্যন্ত vulnerable । তিনি বলেন, "আমাদের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র হামলাতেই আপনাদের জাহাজগুলি ডুবে যেতে পারে।" তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট threat রয়েছে যে ইরান প্রতিরোধ অব্যাহত রাখবে।
মোহসেন রেজাঈ ইরানের একজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা, যিনি ১৯৮১ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত ইসলামিক রেভোলুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার-ইন-চিফ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। গত মাসে রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছিল যে তিনি মোজতাবা খামেনেই-এর সামরিক উপদেষ্টা হিসাবে অবসর থেকে ফিরেছেন। তাঁর মতো একজন ব্যক্তির মন্তব্য decision নেওয়ার প্রক্রিয়াতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের তেল বাণিজ্যের একটি কৌশলগত কেন্দ্র, যেখান দিয়ে প্রতিদিন কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল তেল প্রবাহিত হয়। এই অঞ্চলে যে কোনও সামরিক সংঘাত বৈশ্বিক বাজারে গুরুতর impact ফেলতে পারে। মার্কিন ও ইরানি মুখোমুখি হওয়া এখন শুধু দুই দেশের মধ্যে নয়, বরং এটি গোটা বিশ্বের security ও অর্থনীতির ব্যাপার।
একটা প্রণালীতে পুলিশ হওয়ার দাবি করা মানেই তো আন্তর্জাতিক আইনের উপর নিজের দাপট চাপানো। ইরানের response প্রতিক্রিয়া বোঝা যাচ্ছে।
মার্কিন জাহাজ ডুবলে তেলের দাম আকাশছোঁয়া হবে। সাধারণ মানুষের উপর পড়বে সরাসরি cost খরচের চাপ।
রেজাঈ কেবল হুমকি দিচ্ছেন না, তিনি ইরানের সামরিক কৌশলগত ভাবনার প্রতিনিধিত্ব করছেন। এটা কোনো একক statement বক্তব্য নয়।
হরমুজ শুধু ইরানের পাশেই নয়, এটা আন্তর্জাতিক জলসন্ধি। কিন্তু কেউ যেন নিজের খেয়ালে সেখানে নৌবাহিনী না পাঠায়, তার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ় action পদক্ষেপ দরকার।
আমেরিকা বারবার বলে স্থিতিশীলতা চায়, কিন্তু নৌ অবরোধ তো উত্তেজনা বাড়ায়। এটা কি আদৌ trust আস্থা ফিরিয়ে আনবে?
যদি সত্যিই কোনও জাহাজ ডুবে, তখন কি আর ফিরে আসা যাবে? একটা ছোট ঘটনা বড় conflict সংঘাত-এ পরিণত হতে পারে।