হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের রণসজ্জা: তৃতীয় দফা যুদ্ধ কি অনিবার্য?
হরমুজ প্রণালীতে যদি ইরান নৌ-অবরোধ planটি বাস্তবায়ন করে এবং যুক্তরাষ্ট্র সেই সময় ইরানি জাহাজের পথে direct blocking দেয়, তবে পরিস্থিতি অবিলম্বে war দিকে মোড় নিতে পারে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির একটি সামরিক বিশ্লেষণে এই warning উঠে এসেছে, যা আন্তর্জাতিক সম্পর্কে tension ছড়িয়েছে।
বিশেষ করে ওমান সাগর থেকে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত এই জরুরি পানিপথে মার্কিন interference ইরানের কাছে অসহনীয় risk হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, ইরান এখন বহুমুখী strategy নিচ্ছে—ইউরোপীয় বেসামরিক জাহাজগুলো যদি আগেভাগে শুল্ক দেয়, তবে তাদের দিকে তারা কোনো pressure প্রয়োগ করবে না।
অন্যদিকে, চীন ও রাশিয়ার জাহাজগুলোর বেলায় আমেরিকার কোনো confrontation এড়ানোর সম্ভাবনা বেশি। এমনকি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর জন্য ইরান শুল্কে waiver দিতে পারে। কিন্তু আসল সমস্যা হলো, যদি আমেরিকা সক্রিয়ভাবে ইরানি জাহাজের চলাচলে obstruction দেয়, তবে এটি এক naval conflict আহ্বান হতে পারে।
এই পরিস্থিতি নিছক আঞ্চলিক নয়—বরং এটি গোটা বিশ্বের energy supply প্রধান ধমনীতে হস্তক্ষেপের সমতুল্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখানে যে ক্ষমতার টানাপোড়েন চলছে, তা শুধু মধ্যপ্রাচ্যের নয়, global economy জন্যও এক অশনি সঙ্কেত।
ইরান এখানে দুটি বার্তা দিচ্ছে: প্রথমত, হরমুজের মতো কৌশলগত স্থানে তাদের control এখনো শক্তিশালী। দ্বিতীয়ত, যদি তাদের স্বার্থে attack আসে, প্রতিক্রিয়া শুধু কূটনৈতিক বা অর্থনৈতিক হবে না—সামরিক উত্তরও আসবে। এই স্নায়ুযুদ্ধে ক্ষুদ্র ভুল escalation বাড়িয়ে বড় সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
প্রত্যেকটা জাহাজের গতিপথ এখন risk ঝুঁকি নিয়ে চলছে। এর থেকেও ভয়ানক হলো, জ্বালানি মূল্য আবার লাফাবে।
আমেরিকা যদি ইরানকে অবরুদ্ধ করতে চায়, তবে এটা কি নিজেদের market বাজার নষ্ট করা নয়? গোটা বিশ্ব জ্বালানিতে আটকে যাবে।
ইরান বলছে শুল্ক দিলে ছাড়, না দিলে বাধা—এটাই কি নতুন control নিয়ন্ত্রণ?
হরমুজ শুধু ইরান-আমেরিকার নয়, এটা আমাদের সবার security নিরাপত্তার ব্যাপার।
যদি একটা জাহাজ আটকানো হয়, তাহলে কি আর diplomacy কূটনীতি কাজ করবে?
ইরান চাচ্ছে যাতে বিশ্ব জানে তাদের pressure চাপ সহ্য করতে হবে। কিন্তু আমেরিকা কি সেটা মানবে?