জাককানইবিতে উৎসবমুখর পরিবেশে গুচ্ছ ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অত্যন্ত সুষ্ঠু ও public trust বাড়ানোর মতো পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা। শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা এবং বিকাল ৩টা থেকে আর্কিটেকচার ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। এবার ‘এ’ ইউনিটে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ১০ হাজার ৩৫৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮ হাজার ১৯৪ জন উপস্থিত হন, যা উপস্থিতির হার করে ৭৯.১৫ শতাংশ। অন্যদিকে, আর্কিটেকচার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন মাত্র ৫৯ জন শিক্ষার্থী।
১৫৪টি পরীক্ষা কক্ষে পরীক্ষা পরিচালনার সময় বিভিন্ন ভবন পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা দিয়েছে।” তার মতে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় মানুষের support ছাড়া এত বড় ঘটনা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা সম্ভব হতো না। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন যে ভবিষ্যতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় এ ধরনের আয়োজনের দায়িত্ব decision নেবে।
পরীক্ষার দিন ক্যাম্পাসে ছিল উৎসবের আমেজ। দশ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো সাজিয়ে তুলেছিল বিভিন্ন সেবা কেন্দ্র। রোভার স্কাউট ও গার্ল ইন রোভার সদস্যরা শৃঙ্খলা রক্ষা ও অসুস্থ পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পৌঁছানোয় quickly ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ব্যাগ আমানত রাখা, পানি ও কলম বিতরণ, এবং সিট খুঁজতে help করে।
পরীক্ষার্থীদের transport সুবিধার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিশেষ বাস সার্ভিস চালু করেছিল। ট্রাফিক পুলিশ যানজট নিরসনে কাজ করে এবং ক্যাম্পাসে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন ছিল। বিদ্যুৎ সরবরাহের কোনো বিঘ্ন ছাড়াই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের মুখে ছিল ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এবং অভিভাবকদের মধ্যে ব্যবস্থাপনার প্রতি admiration লক্ষ্য করা যায়।
ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে জিএসটি-র সমন্বিত ওয়েবসাইটে। মেধা তালিকাভুক্ত শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে apply করতে পারবেন। এবার জাককানইবিতে ২৫টি বিভাগে মোট ১ হাজার ১৭৫টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এই ঘটনা বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি দেশের তরুণদের আগ্রহ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা তুলে ধরে।
উপস্থিতির হার ৭৯% মানে প্রায় ২ হাজার ছাত্র অনুপস্থিত, এর পেছনে reason কারণ কি হতে পারে?
এত বড় পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে সাজানোটা আসলেই একটা achievement অর্জন।
আমি নেত্রকোণা থেকে এসেছিলাম, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের help সাহায্য ছাড়া এভাবে পৌঁছানো অসম্ভব হত।
আর্কিটেকচারে মাত্র ৫৯ জন? এটা দেখাচ্ছে দেশে interest আগ্রহ কম।
জিএসটি কি ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের quality গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করে?
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় যদি আগামী বছরও আয়োজক হয়, সেটা future ভবিষ্যতে গুচ্ছ ভর্তির মান বাড়াবে।