যুদ্ধের মূল্য কি শুধু রক্ত দিয়ে মাপা হয়?
war মানে শুধু রক্তক্ষয়ী লড়াই নয়, অর্থনীতিও তার পিছনে হাঁপায়। ইসরাইল এখন তার নিজের economy নিয়ে ভয়াবহ চাপে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর গত তিন বছরের policy এবং ইরানের সঙ্গে চলা সংঘাত এই অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য মূল cause বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৩ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত চলা এই যুদ্ধের আর্থিক ক্ষতি আনুমানিক ১১,২০০ কোটি ডলারে পৌঁছাবে, যা দেশটির জন্য এক বিপর্যয়ের ইঙ্গিত।
যুদ্ধের প্রথম মাসেই প্রতিদিন ইসরাইলের cost হয়েছে প্রায় ৬০ কোটি ডলার। এই অঙ্ক কেবল সামরিক খাতে নয়, বেসামরিক sector ভয়াবহ আঘাত হেনেছে। সেনাবাহিনীর নতুন বাজেটের প্রস্তাব ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি, আর অতিরিক্ত ৪৮০ কোটি ডলারের দাবি তুলেছে সামরিক বাহিনী। এই সব খরচের ফলে বর্তমান অবকাঠামো প্রকল্পগুলো, যেমন মেট্রোরেল এবং প্রশাসনিক ভবন, স্থগিত হওয়ার মুখোমুখি।
অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ছে ঋণের মাধ্যমে। গণনায় দেখা যাচ্ছে, ইসরাইলের debt দেশের জিডিপির ৭২ শতাংশে ঠেকতে পারে। প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৩২০ কোটি ডলারের ক্ষতি হচ্ছে, কারণ কর্মকাণ্ড প্রায় বন্ধ। অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ নিজেই সতর্ক করেছেন: তেল আবিবের অর্থনীতি এখন crisis দিকে এগোচ্ছে। এই অর্থনৈতিক স্থবিরতা কেবল সংখ্যার ব্যাপার নয়, গোটা জনগোষ্ঠীর ভবিষ্যৎকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
বেসামরিক খরচ সহ মোট অর্থব্যয় ইতিমধ্যে ২,১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির দাবিনামা জমা পড়েছে ২৬ হাজারের বেশি, যার মূল্য প্রায় ৫০ কোটি ডলার। ক্যালক্লিস্টের মতে, বেসামরিক খরচ মিলিয়ে এই অঙ্ক ২৫০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ, তেল আবিবের বর্তমান বাজেটের ওপর চাপ বাড়ছে ক্রমাগত। এই চাপ মেটাতে হয় tax বাড়াতে হবে, নয়তো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বন্ধ করতে হবে।
ইসরাইলের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক করেছে: ২০২৭ সালের মধ্যে কর বাড়ানো না হলে এই বিপুল ঋণ পরিশোধ করা অসম্ভব হবে। ফলাফল কী হবে? আগামী বছরগুলোতে সাধারণ মানুষকে মুখোমুখি হতে হবে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং service বাজেট কাটছাঁটের মতো চরম ভোগান্তির। আজকের যুদ্ধের সিদ্ধান্ত কেবল ভবিষ্যতের নিরাপত্তার নয়, ভবিষ্যতের burden তৈরি করছে।
যুদ্ধ কি কখনো কারো জন্য লাভজনক হয়? এর চেয়ে বড় loss ক্ষতি আর কী হতে পারে?
জিডিপির ৭২% ঋণ! এটা কি আর টেকসই অর্থনীতির চিহ্ন?
প্রতি সপ্তাহে ৩২০ কোটি ডলার ক্ষতি? এটা তো কোনো budget বাজেট নয়, ধ্বংসের পথ!
কর বাড়ানো হবে, আর সাধারণ মানুষ চাপ বোঝার মুখোমুখি হবে। নতুন কিছু না, কিন্তু এবার আকারটা ভয়ানক।
মেট্রোরেল আটকে যাবে? তাহলে শহরের যানজট আরও বাড়বে। এটাই হবে আমাদের daily দৈনিক জীবনের অংশ।
নেতানিয়াহুর নীতি শুধু রাজনৈতিক নয়, এখন অর্থনৈতিক সঙ্কটের factor উপাদান হয়ে দাঁড়িয়েছে।