FIFA World Cup 2026: ইরান বিশ্বকাপে খেলছে! জল্পনার অবসান ঘটিয়ে জানালেন ফিফা প্রেসিডেন্ট
ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও বিশ্বকাপে খেলবে ইরান! আনুনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়ে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনো সরাসরি ঘোষণা দিয়েছেন যে ইরান ফুটবল দল আগামী বিশ্বকাপে participation করবে। এই ঘোষণা নিশ্চিত করেছে যোগ্যতা অর্জনের পর তাদের অধিকার, এবং ফিফার পক্ষ থেকে support প্রকাশ করেছে।
ইনফান্তিনো এক প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বলেন, 'ইরান নিশ্চিতভাবে আসছে। তারা যোগ্যতা অর্জন করেছে, দেশের প্রতিনিধিত্ব করছে।' তাঁর কথায়, খেলোয়াড়দের right আছে আন্তর্জাতিক মঞ্চে খেলার, এবং সেই কারণে ফিফা decision নিয়েছে তাদের পাশে থাকার। তিনি আশা করছেন, বিশ্বকাপের সময় ইরানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি stabilize হবে।
গত ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক উত্তেজনায় জড়িয়ে পড়েছে, যা নিরাপত্তা ও ভ্রমণের risk বাড়িয়েছে। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান দলকে অংশ না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। ফলে বিশ্বকাপে তাদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন ছিল খোলা।
কিন্তু ইনফান্তিনো জোর দিয়েছেন যে sports রাজনীতির বাইরে থাকা উচিত। তাঁর মতে, 'খেলা মানুষকে একসঙ্গে বেঁধে রাখে'—এই বিশ্বাস ফিফার কাজের core । তাই তারা ইরানের মতো দলকে আন্তর্জাতিক মাঠে রাখার দায়িত্ব নিচ্ছে, যদিও বাইরের পরিস্থিতি জটিল।
গ্রুপ পর্বে ইরানের মুখোমুখি হবে মিশর, নিউজিল্যান্ড ও বেলজিয়াম। এই ম্যাচগুলো হবে আমেরিকায়, যা রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে pressure আরও বাড়াবে। তবু ফিফা চায় না যে রাজনীতি impact ফেলুক ক্রীড়ার উপর। এখন সবার চোখ ইরানের পারফরম্যান্স এবং বাস্তব পরিস্থিতির দিকে—দুটোর মধ্যে কে বেশি influence ফেলে তা দেখার বিষয়।
ফিফা ঠিকই বলেছে, খেলা রাজনীতির বাইরে থাকা উচিত। কিন্তু বাইরের tension উত্তেজনা যদি খেলোয়াড়দের মানসিক pressure চাপ বাড়ায়, তখন কি হবে?
ইরান যোগ্যতা অর্জন করেছে, তাই তাদের খেলার right অধিকার আছে। রাজনীতি না মেশালে ভালো হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাচ, আবার ইরানের সাথে তাদের সম্পর্ক খারাপ—এই situation পরিস্থিতি কি খেলার নিরাপত্তার risk ঝুঁকি বাড়াবে না?
গ্রুপটা কঠিন—মিশর, নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম। কিন্তু ইরান যদি focus ফোকাস রাখে মাঠে, তাহলে আশা আছে।
ফিফা যে trust আস্থা দেখালো, তাতে ইরানি ফ্যানদের মনে hope আশা এসেছে।
ট্রাম্প কেন পরামর্শ দিলেন? এটা কি শুধু politics রাজনীতি, নাকি সত্যিই security নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা?