ইরান আলোচনার টেবিলে না ফিরলেও ‘কিছু যায় আসে না’: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে ফিরতে আগ্রহী নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। new করে সাফ করে দিয়েছেন, ইরান যদি আলোচনায় না ফেরে, তাতে তাঁর decision বা কৌশলের কোনো পরিবর্তন হবে না। স্থানীয় সময় রবিবার রাতে ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "আমার কিছু যায় আসে না।"
গত ২১ ঘণ্টার বৈঠকে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। এই ব্যর্থতার পর ট্রাম্প বলেন, তাঁর জন্য ইরানের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি কোনো risk তৈরি করে না। তবে তিনি দাবি করেন, দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ভালোভাবেই বজায় রয়েছে, যা public trust একটু ফিরিয়ে আনতে পারে।
এদিকে, ইরানি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী কর্তৃক একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর নিখোঁজ দুই ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একজন pilot এবং একজন অস্ত্র-ব্যবস্থা কর্মকর্তা। ট্রাম্প বলেন, "তাদের স্বাস্থ্য ভালো, আমরা তাদের নিয়ে গর্বিত।" উদ্ধারের পর তাদের শারীরিক condition নিয়ে তিনি আশ্বস্ত।
তবে সবচেয়ে বড় চিন্তা হচ্ছে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে ইরানের উচ্চাকাঙ্ক্ষা। ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, ইরান এখনও পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে চায় এবং সেটা তেহরান ইসলামাবাদের বৈঠকে লুকোচুরি করেনি। তিনি বলেন, "তারা এটা চায়, এবং গতরাতে তা clearly করেছে।" মার্কিন পক্ষের দাবি, ইরানকে কখনই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির support দেওয়া হবে না।
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, দুই পক্ষই চুক্তির খুব close ছিল, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র কঠোর শর্ত, বারবার নিয়ম পরিবর্তন, এবং অবরোধের মুখে ফেলেছে। এই দাবি আন্তর্জাতিক মহলে pressure তৈরি করতে পারে, কিন্তু ট্রাম্পের অবস্থান এখনও দৃঢ়: আলোচনা হোক বা না হোক, তাঁর কৌশল একই থাকবে।
এক পক্ষ বলছে আমার কিছু যায় আসে না, আর এক পক্ষ বলছে আমরা কাছাকাছি ছিলাম— clearly স্পষ্ট যে কথার চেয়ে কাজে কম আস্থা।
যুদ্ধবিরতি ভালো, কিন্তু পারমাণবিক risk ঝুঁকি কমেছে বলে মনে হচ্ছে না।
ইরানকে চাপে ফেলা হচ্ছে, কিন্তু তারা কি সত্যিই আলোচনার টেবিলে আসবে? pressure চাপ সবসময় কাজ করে না।
ট্রাম্পের ভাষা সবসময়ই একই— আমার কিছু যায় আসে না। কিন্তু পৃথিবী তো আর তাঁর রিয়েলিটি শো না।
উদ্ধার হওয়া পাইলটদের খবরটা ভালো লাগল। তাদের স্বাস্থ্য condition অবস্থা নিয়ে আশা করি আর কোনো ঝুঁকি নেই।
দুই পক্ষই নিজেদের কথায় অটল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কে কার support সমর্থন করবে? জনগণ তো ক্লান্ত হয়ে আসছে।