কমছে পাম্পের ভোগান্তি
রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ line কমতে শুরু করেছে, যদিও এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দূরে। গত কয়েকদিন ধরে চালকদের মধ্যে যে ভোগান্তি তৈরি হয়েছিল, তার মাত্রা ধীরে ধীরে decline পাচ্ছে। আসাদ গেট, নিকুঞ্জ, সুমাত্রা এবং মিরপুরের কিছু স্টেশনে এই পরিবর্তন স্পষ্ট। স্থানীয় কর্মীদের মতে, আগে মোটরসাইকেল বা গাড়ি নিয়ে তেল নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়াতে হতো, কিন্তু এখন সেই সময় কিছুটা shorter ।
সুমাত্রা ফিলিং স্টেশনে গতকাল দুপুরে লাইন noticeably ছোট ছিল সোমবারের তুলনায়। নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টারেও গাড়ির সারি প্রায় অদৃশ্য। মিরপুরের স্যাম অ্যাসোসিয়েটসের ক্যাশিয়ার মো. আরাফাত বলেন, চাপ কমছে ঠিকই, কিন্তু suffering এখনও চলছে। স্টেশনে তেলের গাড়ি এখনও নিয়মিত আসছে না, তাই পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার আগে time লাগবে।
টেকনিক্যালের মোহনা ফিলিং স্টেশনে আসা মোটরসাইকেল চালক আসাদুর রহমান বলেন, আগে তেল নিতে দশ ঘণ্টা লাগত, এখন মাত্র দুই ঘণ্টা। গাড়িচালক সজীব ভূঁইয়া জানান, এখন প্রায় ঘণ্টাখানেক অপেক্ষা করতে হয়। আগে এই স্টেশনে লাইন বনানী বা কুর্মিটোলা হাসপাতাল পর্যন্ত চলে যেত। এখন সে অবস্থা নেই।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক price hike চাহিদা কিছুটা কমাতে সাহায্য করেছে। তেলের মিষ্টিক কমেছে বলে লাইনের চাপও reduced । কিন্তু সরবরাহ এখনও পুরোদমে শুরু হয়নি। তাই কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলছেন, এখনই শিথিল হওয়া উচিত নয়। পুরোপুরি normal পরিস্থিতি ফিরতে আরও কয়েকদিন লাগবে।
দশ ঘণ্টা থেকে দুই ঘণ্টায় নামা মানে একটু relief স্বস্তি আসছে, কিন্তু এখনও অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
আমার ভাই আজ সকালে তেল নিতে গেছিল, বলল লাইন আছে কিন্তু আগের মতো নয়। মনে হচ্ছে পরিস্থিতি gradually ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে।
মূল্যবৃদ্ধি কমাল চাহিদা? মানে মানুষ আর কিনছে না কারণ দাম বেশি। এটা কি real আসল সমাধান?
যদি সরবরাহ স্বাভাবিক হয়, তাহলে ভোগান্তি পুরোপুরি কমবে। এখনকার অবস্থা মানে temporary অস্থায়ী স্বস্তি।
আমি নিজে সুমাত্রায় গিয়েছিলাম, লাইন সত্যিই ছোট ছিল। গাড়িও দ্রুত ঢুকছিল। service সেবা আগের মতো ধীর নয়।
কমেছে তো ভালো, কিন্তু কারণটা খারাপ। মানুষ তেল নিচ্ছে না কারণ পকেট ভারী নয়। এটা কি positive ইতিবাচক পরিবর্তন?
এক সপ্তাহ আগে যেখানে ৬ ঘণ্টা লাগত, আজ ঘণ্টাখানেক—এটা progress অগ্রগতি, কথা নেই।
আশা করি আগামী সপ্তাহে আর লাইনে দাঁড়াতে হবে না। কিন্তু সরবরাহ যেন না থেমে যায়। pressure চাপ ফিরবে না।