গরমে হাঁসফাঁস হচ্ছে জনজীবন
কয়েক দিন ধরে রাজধানী the capital বৃষ্টি নেই, আর প্রতিদিনের সঙ্গে temperature বাড়ছে। গতকাল বৃষ্টির forecast থাকলেও আকাশ রইল পরিষ্কার। আজও সেই একই condition চলছে—শুষ্ক আকাশ, তীব্র রোদ, আর মানুষের জীবন যাপন নিয়ন্ত্রণহীন। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু জায়গায় আজ দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোর সঙ্গে scattered বৃষ্টি হতে পারে।
কিন্তু এই আশার আলো মিললেও বেশিরভাগ এলাকায় extreme গরম চলছে। মানুষ ঘরের বাইরে বেরোতে ভয় পাচ্ছে। দিনমজুর, রিকশাচালক, ফুটপাতের বিক্রেতা—যারা বাইরে কাজ করে, তারা suffering মুখোমুখি। জীবন ধারণের তাগিদে তাদের কাজ করতেই হচ্ছে, যদিও অনেকেরই মাথা ঘোরা, মাংসপেশি টান, বা তাপদাহের মতো symptoms দেখা দিয়েছে।
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ঢাকায় maximum তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৪°C। অন্যদিকে, রাজশাহীতে তা ছিল ৩৯.৫°C—দেশের মধ্যে highest । আজ সকালে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৮°C এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৮১%। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে any বৃষ্টিপাত হয়নি, যা শুষ্কতা আরও বাড়িয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশের অধিকাংশ এলাকায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা slightly বাড়তে পারে। মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ continue থাকবে এবং নতুন কিছু এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা warning জারি করেছেন—বাড়ির বাইরে অপ্রয়োজনীয় সময় কাটানো এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, বিশেষ করে দুপুরবেলা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের তাপপ্রবাহ দীর্ঘমেয়াদে কৃষি, জলসেচ এবং বিদ্যুৎ demand বাড়াবে। এছাড়া, প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য ও জলবায়ু প্রবণতাও প্রভাবিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষ শুধু আজকের গরম সহ্য করছে না, আসন্ন মৌসুমের জন্যও concern প্রকাশ করছে।
গতকাল রিকশা চালাতে গিয়ে আমার চাচা fainted অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন। তাপদাহ নিশ্চয়।
বিদ্যুৎ চলে গেছে তিনদিন ধরে। এই heat গরমে আর সহ্য করা যাচ্ছে না।
সরকার কি করে তাপপ্রবাহে vulnerable অসুরক্ষিত মানুষদের জন্য কোনো সুরক্ষা নেই?
একটা ছাতা আর পানি নিয়ে বাইরে বেরোনো হয়ে গেছে জীবনের পরীক্ষা। simple সাধারণ জিনিস এখন বিলাস মনে হচ্ছে।
গরম বাড়ছে—এটা আর নতুন কিছু নয়। কিন্তু response প্রতিক্রিয়া কই? শহরে ছায়া দেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে না কেন?
আজ সকালে আমার বাচ্চার জ্বর এসেছিল। ডাক্তার বললেন, weather আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে রোগ বাড়ছে।