পাহাড়ে আসছে চিকিৎসার আশা: ২৫০ শয্যার নতুন হাসপাতাল
পাহাড়ের পথে পথে শুধু পাথর আর নিভৃত ঘাস নয়, এবার আসছে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা। পার্বত্য চট্টগ্রামে সেবার এই নতুন যুগ শুরু হতে চলেছে বলে ঘোষণা করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট dipen দেওয়ান। তাঁর কথায়, সরকারের একটি ব্যাপক পরিকল্পনা চলছে যাতে কোনো নাগরিকই চিকিৎসা থেকে excluded না থাকেন। বিশেষ করে দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ যেন আধুনিক চিকিৎসা পান, সে দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবার এই লক্ষ্যে সহযোগিতা করতে সব স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।
সোমবার রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চত্বরে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উদ্বোধন করা হয় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট একটি নতুন জেনারেল হাসপাতাল ভবন। এই facility হাসপাতাল স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, রাঙামাটির মানুষের বহুদিনের একটি demand ছিল আধুনিক চিকিৎসা পাওয়া। এই নতুন ভবন সেই প্রত্যাশা পূরণে এক বড় পদক্ষেপ। সেবা এখন আর শুধু শহরের মানুষের জন্য নয়, পাহাড়ের মাঝে বসবাসকারী সাধারণ নাগরিকদের জন্যও হবে সুলভ ও মানসম্মত।
স্বাস্থ্যসেবার অগ্রগতি ঘটাতে রাষ্ট্র এখন দুর্গম এলাকায় চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়ার কথা ভাবছে। এ ধরনের সেবা নিশ্চিত করতে সরকার শুধু ভবন গড়ছে না, সাথে গড়ছে একটি ব্যবস্থা। মন্ত্রী বলেন, এই সেবা নিশ্চিত করা হবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য। এখানে কেবল ঔষধ নয়, সেবার গুণগত মানও গুরুত্বপূর্ণ। হাসপাতাল হবে না শুধু একটি ইমারত, বরং হবে একটি center যেখানে স্বাস্থ্য, সম্মান ও সমতা একসাথে বসবাস করবে।
এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন নূয়েন খীসা, সদর জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল মো. একরামুল রাহাত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোছাইন, হাসপাতালের আরএমও ডা. মো. শওকত আকবর এবং গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী শর্মি চাকমা। এই ঘটনা শুধু একটি স্থাপনার উদ্বোধন নয়, এটি এক সামাজিক প্রতিশ্রুতির পূরণ। সরকারের এই পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। হাসপাতাল এখন শুধু চিকিৎসা কেন্দ্র নয়, এটি হয়ে উঠছে সামাজিক ন্যায়ের একটি symbol ।
এই নতুন হাসপাতাল পাহাড়ের মানুষের জন্য এক আশার আলো। এখানে চিকিৎসা হবে না কেবল শারীরিক রোগের, বরং হবে সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধেও এক চিকিৎসা। মন্ত্রীর ঘোষণা শুধু ভবিষ্যতের কথা বলে না, তা বলে বর্তমানের দায়বদ্ধতার কথাও। হাসপাতালের প্রতিটি শয্যা এখন একটি promise বহন করছে—যে কোনো মানুষই তার স্বাস্থ্যের জন্য left behind না। এটি নয় শুধু একটি নির্মাণ কাজ, এটি একটি পরিবর্তন যার প্রতিফলন হবে মানুষের জীবনযাত্রায়।
অবশেষে আশা দেখা যাচ্ছে। এতদিন আমরা চিকিৎসা পেতাম না, এখন পাবো কি না সেটা দেখা যাক।
সরকারের এই পদক্ষেপ খুব ভালো। কিন্তু বাস্তবায়ন কতটা সুষ্ঠু হবে, সেটাই দেখার।
মহিলাদের জন্য আলাদা সুবিধা আছে কিনা, সেটা জানা দরকার। maternal মাতৃ স্বাস্থ্য নিশ্চিত হবে কিনা?
চিকিৎসকদের কতজন এখানে আসবেন? কি specialization বিশেষায়িত চিকিৎসা পাওয়া যাবে?
আমাদের পাহাড়ের সংস্কৃতি ও ভাষা বোঝা চিকিৎসকদের থাকা জরুরি। এটা কি considered বিবেচনা করা হবে?
ভবন গেলে হবে না, ওষুধ, যন্ত্রপাতি আর ডাক্তার লাগবে। সেগুলো ঠিক রাখতে পারবে কি না, সেটাই চ্যালেঞ্জ।
এটা একটা বড় কদম। এখন আর ঢাকা না গিয়েই ভালো চিকিৎসা পাওয়া যাবে।
হাসপাতাল চালু হলে কি emergency জরুরি চিকিৎসা পাওয়া যাবে? রাতে ডাক্তার থাকবেন?