সুরভি স্কুলে আন্তর্জাতিক দৃষ্টি: শিক্ষার পাশে পুষ্টি আর স্বাস্থ্য
ধানমন্ডিতে একটি ছোট স্কুলের মধ্যে এমন কিছু ঘটল যা শুধু শিক্ষার কথা বলেনি, বলেছিল health আর nutrition নিয়েও গভীর ভাবনার। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত চার্লস জে. হার্ডার এবং রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন সুরভি স্কুল ও একটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প পরিদর্শন করেন, যেখানে শিক্ষার সঙ্গে সমন্বিত হয়ে আছে স্বাস্থ্য আর পুষ্টির ব্যবস্থা। এ মডেল কীভাবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে, সে আলোচনাই ছিল সভার কেন্দ্রবিন্দু। এই সফর শুধু একটি পরিদর্শন নয়, এটি সহযোগিতার ইঙ্গিত দেয় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শিশু কল্যাণের ক্ষেত্রে।
সুরভি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সাইয়েদা ইকবাল মান্দ বানুর সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে দূতদ্বয় বুঝতে চাইলেন কীভাবে একটি স্থানীয় প্রতিষ্ঠান শিক্ষার পাশাপাশি services এমন কার্যক্রম চালাচ্ছে যা সারা বিশ্বের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির কাজের ধরন দেখে মনে হয়, এখানে শুধু learning হয় না, বেড়ে ওঠা হয়। প্রতিনিধিদলের সামনে তুলে ধরা হয় দুটি documentary , যা তাদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের প্রতিফলন। এগুলো দেখে মনে হয়, ক্ষুদ্র পদক্ষেপেও বড় পরিবর্তন সম্ভব।
জিয়াউর রহমাণ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিনামূল্যের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় students মধ্যে ৩০০-এর বেশি শিশুকে দন্ত, চক্ষু ও সাধারণ শিশুস্বাস্থ্য checkup দেওয়া হয়। এ ধরনের কর্মসূচি শুধু শারীরিক সুস্থতার জন্যই নয়, মানসিক নিরাপত্তা ও স্কুলে উপস্থিতির হার বাড়াতেও সাহায্য করে। এখানে স্বাস্থ্য আর education পৃথক নয়, তারা একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এমন মডেল কি বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া যাবে? সে প্রশ্ন মনে ঘোরে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টজনা—ডা: জুবাইদা রহমান, ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, শাহিনা খান জামান, সুরভির নির্বাহী পরিচালক আবু তাহের, ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ড. ফারহাদ হালিম ডোনার, প্রফেসর মোরশেদ হাসান, ড. আমান উল্লাহ মেহেদী এবং ড. মোস্তাফা আজিজ সুমন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদি আমিনও উপস্থিত ছিলেন। এই সমাহার নিজেই একটি বার্তা দেয়—শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথনে বিভিন্ন ক্ষেত্রের নেতৃত্ব এক জায়গায় জড়ো হচ্ছে। ভবিষ্যতের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার মাধ্যমে এটা পরিষ্কার হয়েছে যে, এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলো আর একাকী লড়াই করবে না। তাদের পাশে আছে আন্তর্জাতিক support ।
শিশুদের জন্য এমন সার্বিক পরিকল্পনা খুব দরকার।
300 শিশু? এটা কি সব সময় হয়, নাকি এটা বিশেষ কর্মসূচি ছিল?
বিশেষ দূত এলে সবসময় কী এমন কিছু ঘটে যা আমরা পরে ভুলে যাই?
এ ধরনের initiative উদ্যোগ আরও ছড়িয়ে দেওয়া হোক, শহর আর গ্রাম সব জায়গায়।
এই মডেল কি অন্য দেশেও কাজ করবে, নাকি এটা শুধু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেই সম্ভব?
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন সহযোগিতা ভালো লাগলেও, স্থানীয় সম্পদ কীভাবে বাড়ানো যায় সেটাও ভাবা দরকার।
আমি একবার সেখানে গিয়েছিলাম, শিশুদের হাসি দেখে hope আশা পাই।
ভালো কথা, কিন্তু কতটা স্থায়ী হবে এটা, সেটাই বড় প্রশ্ন।