ইউক্রেনে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত কমপক্ষে ৬
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে এক বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন প্রায় ১৫ জন। গতকাল শনিবার কিয়েভের দক্ষিণাঞ্চলের হলোসিভস্কি এলাকায় এই মারাত্মক incident ঘটে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইহর কলিমেনকো জানিয়েছেন, এক ব্যক্তি রাস্তায় নেমে হতাশাজনকভাবে random গুলি চালাতে শুরু করেন।
পরে তিনি কয়েকজনকে জিম্মি করে কাছের একটি সুপারমার্কেটে নিয়ে যান। পুলিশের সঙ্গে gunfight হামলাকারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। হামলার পেছনের motive এখনও অজানা বলে উল্লেখ করেছেন কলিমেনকো। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে স্থানীয় জনগণ।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসচকো জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে এক শিশুসহ ১০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন। এই সহিংস ঘটনায় সাধারণ মানুষের উপর সহিংসতার impact ক্রমশ বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
উল্লেখ্য, হামলাকারী ব্যক্তি রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে এসেছিলেন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেল রাসলান ক্রাভচেঙ্কো। তিনি বলেন, ৫৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি লোকজনের ওপর স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে fire চালান। এই তথ্য নিশ্চিত করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতের প্রেক্ষিতে এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে চাপ pressure করেছে। কিয়েভের মতো শহরগুলোতে নাগরিক সুরক্ষার দিকে আবার নজর পড়েছে। বিশেষ করে রাশিয়া থেকে আসা ব্যক্তির হামলা হওয়ায় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা concern বাড়ছে।
একটা সুপারমার্কেটে hostage জিম্মি নেওয়ার মতো ঘটনা দেখে মন খারাপ হয়ে গেল।
আতঙ্কিত জনগণের জন্য দুঃখিত। কিন্তু রাশিয়া থেকে এসেছিল বলে সঙ্গে সঙ্গে সেটা রাজনৈতিক করা হচ্ছে। একা হামলাকারীর mental মানসিক স্বাস্থ্যের দিকটা কি কেউ দেখছে?
গুলি চালানোর পর response প্রতিক্রিয়া দ্রুত হয়েছে, কিন্তু নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হওয়া দরকার।
কিয়েভে এত সহিংসতা হওয়ার পর স্থানীয়দের আস্থা trust ফিরে পাওয়া কঠিন হবে।
বাচ্চা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া দেখে বুক ফেটে গেল। এমন হামলা বন্ধ করা কি সম্ভব?
একাকী হামলাকারীকে নিয়ে এত বড় ঘটনা ঘটার পর সবাই support সমর্থন চাইছে সরকারের। কিন্তু কারা দায়ী?