বিজেপি এলে মাছ খাওয়া বন্ধ হবে? 'ইলিশ নিয়ে আসুন, আমি বেছে খাইয়ে দিচ্ছি'
বিজেপি ক্ষমতায় এলে কি মাছ খাওয়া বন্ধ হবে? এই প্রশ্ন উঠেছে আবার নববর্ষের মঞ্চ থেকে। একটি সাংবাদিক সম্মেলনে public reaction উসকে দিয়ে বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি ঘোষণা করেন, 'ইলিশ নিয়ে আসুন, আমি বেছে খাইয়ে দিচ্ছি'—এই কথার পিছনে রয়েছে একটি বড় political message ।
এই মন্তব্যের পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। অনেকে মনে করছেন, এটি কেবল একটি মজার দাবি নয়, বরং একটি cultural tension প্রকাশ। বাঙালির পাতে ইলিশ মাছের অবস্থান যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা কোনও গোপন কথা নয়। এই মাছ কেবল খাবার নয়, এটি একটি cultural identity ।
অন্যদিকে, বিজেপির পূর্ব ঘোষিত ধর্মীয় এবং খাদ্যের নীতি কিছু মানুষের মধ্যে fear তৈরি করেছে যে ভবিষ্যতে মাছ বা অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী খাবারে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। ইরানির মন্তব্য তাদের কাছে মনে হয়েছে এক ধরনের ironic response , যা ঐতিহ্যকে হালকা ভাবে নিচ্ছে।
কিন্তু রাজনীতি কি খাবারের পাতে এতটা ঢুকে পড়া উচিত? অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, এটি শুধু ইলিশ নয়, বরং একটি larger issue প্রতীক। খাবার, সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক identity politics ক্রমশ একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে। এমন মন্তব্য নাগরিকদের মধ্যে public trust উপর চাপ সৃষ্টি করে।
রাজনৈতিক দলগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত জনগণের দৈনন্দিন জীবনের বিষয়গুলি সম্মান করা। একটি মজার মন্তব্যের মধ্যেও লুকিয়ে থাকতে পারে গভীর social impact । যখন খাবার রাজনীতির হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তখন সেটা কেবল পেটের ব্যাপার নয়, হয়ে ওঠে emotional issue ।
খাবারকে রাজনীতির হাতিয়ার বানানো উচিত নয়। ইলিশ কেবল মাছ নয়, আমাদের cultural pride সাংস্কৃতিক গর্ব।
মজার কথা বললেও কিন্তু মানুষের মধ্যে anxiety উদ্বেগ তৈরি হয়। বিজেপি আসলে কি আমাদের পাত থেকে মাছ তুলে নেবে?
স্মৃতি ইরানি শুধু মজা করেছেন, কিন্তু এটা দেখায় কতটা রাজনৈতিক অসংবেদনশীলতা কখনও কখনও ঢুকে যায়।
বাঙালির পাতে ইলিশ না থাকলে নববর্ষ অসম্পূর্ণ। এটা কোনও simple issue সাধারণ বিষয় নয়।
কেন এত লোক খাবারকে নিয়ে এত বিতর্ক করছে? খাবার তো মানুষের personal choice ব্যক্তিগত পছন্দ।
রাজনীতি কি আমার রান্নাঘরেও ঢুকবে? ভাবতেই discomfort অস্বস্তি লাগছে।