চীনের স্যাটেলাইট ব্যবহার করে মার্কিন ঘাঁটিতে নিখুঁত হামলা চালাল ইরান
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে নিখুঁত হামলা চালাতে new capability পেয়েছে ইরান। এই capability এসেছে চীনের একটি উন্নত গোয়েন্দা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে, যা গোপনে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) হাতে চলে এসেছে। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক তদন্ত প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। স্যাটেলাইটটির নাম 'টিইই-০১বি', যা চীনের 'আর্থ আই কো' প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে ইরান সরাসরি মার্কিন ঘাঁটিগুলোর উপর surveillance চালানোর পাশাপাশি হামলার আগে ও পরে ছবি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে।
স্যাটেলাইটটি প্রায় আধা মিটার রেজোলিউশনে ছবি তুলতে পারে, যা পশ্চিমা বাণিজ্যিক স্যাটেলাইটের সমতুল্য। আইআরজিসির আগের সবচেয়ে উন্নত স্যাটেলাইট 'নূর-৩'-এর চেয়ে এটি কয়েকগুণ more precise । ফলে বিমান, যানবাহন বা সামরিক অবকাঠামোর ছোটখাটো পরিবর্তন পর্যন্ত শনাক্ত করা যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই surveillance আইআরজিসিকে লক্ষ্যবস্তু আগেভাগে শনাক্ত করতে এবং হামলার সাফল্য যাচাই করতে সাহায্য করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র চিন্তিত। ইরান এই স্যাটেলাইট ব্যবহার করে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি, জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটি, বাহরাইনের মানামা ও কাতারের আল-উদেইদ সহ বহু মার্কিন ঘাঁটির উপর নজর রাখছে। এমনকি কুয়েত, জিবুতি, ওমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেসামরিক স্থাপনাগুলোও এর লক্ষ্যে ছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৪ মার্চ নিশ্চিত করেন যে, প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে হামলায় মার্কিন বিমানবাহিনীর পাঁচটি রিফুয়েলিং বিমান damaged হয়েছে।
এম্পোস্যাট নামের একটি চীনা প্রতিষ্ঠান আইআরজিসিকে বাণিজ্যিক গ্রাউন্ড স্টেশন ব্যবহারের অনুমতি দেয়। ফলে ইরান বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে এই স্যাটেলাইট পরিচালনা করতে পারে। সাবেক সিআইএ বিশ্লেষক জিম ল্যামসন বলেন, এটি ইরানের জন্য একটি strategic move । কারণ, ইরানের নিজস্ব গ্রাউন্ড স্টেশন হামলার শিকার হওয়ার পর এই চীনা নেটওয়ার্ক তাদের জন্য নিরাপদ বিকল্প।
চীন অবশ্য প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, এসব তথ্য not true । তারা দাবি করেছে, কিছু পক্ষ চীনের বিরুদ্ধে গুজব ছড়াচ্ছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, চীন ইরানকে প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে, কিন্তু সরাসরি সম্পৃক্ততা এড়াতে চাইছে। এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে জটিলতা তৈরি করছে, যেখানে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর মধ্যে tension ক্রমশ বাড়ছে।
একটা স্যাটেলাইট এত impact প্রভাব ফেলতে পারে? আগে ভাবতাম না।
চীন বলছে 'not true', কিন্তু তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর সামরিক সংযোগ লুকোনো যাচ্ছে না।
আমেরিকা কেন এত দেরিতে এই threat হুমকি বুঝল? আগে থেকে কী করা হয়নি?
মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও তারা সরাসরি কিছু বলছে না। হয়তো diplomacy কূটনীতি চালাচ্ছে।
ইরানের নিজের স্যাটেলাইটের চেয়ে এটা কয়েকগুণ ভালো। এটা শুধু প্রযুক্তি নয়, কৌশলগত পরিবর্তন।
আমরা যদি এত কিছু জানি, তাহলে আমেরিকা কেন এখনো চীনের বিরুদ্ধে কিছু করছে না?