ডিসিরা বলছেন: মাঠে মাঠে স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো চাই
proposal শুধু কাগজেই থাকে না, কখনো কখনো সেগুলো হয়ে ওঠে অবকাঠামো গঠনের ভিত। জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) এবারের annual সম্মেলনে এমনই এক সিরিজ অগ্রাধিকার তুলে ধরা হচ্ছে, যা মাঠ পর্যায়ে উন্নয়ন ঘটাতে পারে। স্বাস্থ্য থেকে transportation , ভূমি ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে industrial কার্যক্রম—এসব ক্ষেত্রেই তাদের প্রস্তাব জমা পড়েছে। প্রতিবছরের মতো এবারও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আয়োজনে চার দিনের এ সম্মেলন হবে রাজধানীর convention ।
সম্মেলনে ডিসিরা উপস্থাপন করেছেন এক হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব, যার মধ্য থেকে ৪৯৮টি নির্বাচিত হয়েছে আলোচনার জন্য। সরকার এসব প্রস্তাব শুনবে, এবং কার্যকর করার উপায় খুঁজবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান বলেছেন, অনেক প্রশাসক জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে bed সংখ্যা বাড়ানোর request জানিয়েছেন। গাজীপুরের ডিসি একটি ইকোনোমিক জোন গড়ার প্রস্তাব দিয়েছেন, যেখানে শিল্প ও কর্মকাণ্ড ঘনীভূত হতে পারে।
সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য হলো মাঠ প্রশাসনকে আরও কার্যকর ও সেবামূলক করা। প্রশাসকদের অভিজ্ঞতা থেকে আসা এসব issue ও প্রস্তাব সরাসরি পৌঁছাবে নীতি নির্ধারকদের কাছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্মেলনে inaugurate করবেন, আর প্রধান বিচারপতি জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। এগুলো শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং মুক্ত আলোচনা ও সহযোগিতার একটি মাধ্যম।
৫৬টি মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিরা ৩৪টি session এই প্রস্তাবগুলো নিয়ে আলোচনা করবেন। মাঠ পর্যায়ের official সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তারা guidance দেবেন, যা ভবিষ্যতের বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এমন আয়োজন দেখায় যে, রাষ্ট্রের শাসন শুধু ঢাকার কার্যালয়ে সীমাবদ্ধ নয়, বরং গ্রাম-শহরের মাঠ থেকে উঠে আসা কণ্ঠের দিকেও কান দেয়। প্রতিটি proposal একটি সম্ভাবনার বীজ, যার ফল হতে পারে সাধারণ নাগরিকদের জীবনের মানোন্নয়ন।
এক হাজারের বেশি প্রস্তাব? আশা করি এর মধ্যে কয়েকটা actually আসলেই বাস্তবায়িত হবে।
হাসপাতালে shortage ঘাটতি নিয়ে প্রস্তাব আসা ভালো, কিন্তু নার্স ও ডাক্তারের অভাব কমবে কী করে?
গাজীপুরে ইকোনোমিক জোন হোক, কিন্তু জমি দখল নিয়ে সমস্যা হবে না তো?
আমাদের এলাকার রাস্তা তো ভয়াবহ। অবকাঠামো নিয়ে প্রস্তাব এলে মনে হয় আশা করা যায়।
প্রস্তাব শুনলেই হবে না, ফলাফল কী হলো সেটা দেখতে হবে।
মন্ত্রীদের সাথে আলোচনা হবে, কিন্তু কি জবাবদিহিতা থাকবে?
মাঠ প্রশাসন যদি সত্যিই সেবামূলক হয়, তাহলে জনগণের কাছে সরকার আরও কাছাকাছি আসবে।
সরকার শোনে, আলোচনা করে, কিন্তু বাস্তবায়ন ঘটে কতটা?