২০২৬-এর প্রথম ত্রৈমাসিকে ভিয়েতনামের বাণিজ্যিক সমীক্ষা: প্রবৃদ্ধি ও চাপের মধ্যবর্তী ভারসাম্য
২০২৬ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে, ভিয়েতনামের শিল্প ও বাণিজ্য খাত একটি জটিল environment মোকাবেলা করছে—অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা আশা জাগালেও, বৈশ্বিক জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ শৃঙ্খলের বিঘ্ন উৎপাদনকে pressure মধ্যে ফেলেছে। তবুও, শিল্প উৎপাদন সূচক growth পেয়েছে ৯%, যা অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত। বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাতকরণ খাত ৯.৭% বাড়ায় মূল driver হিসাবে দাঁড়িয়েছে।
বাণিজ্যের সামগ্রিক মাত্রা আনুমানিক ২৪৯.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের চেয়ে ২৩.২% higher । রপ্তানি ১৯.১% বেড়েছে, বিশেষত প্রক্রিয়াজাত পণ্যের বাজার ২০% বৃদ্ধি পেয়েছে। হংকংয়ের সাথে বাণিজ্যে ৪৭.৪% বৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য। আমদানি ২৭% বেড়েছে, যার মূল কারণ হলো উৎপাদনের জন্য যন্ত্রপাতি ও কাঁচামালের demand । অন্যদিকে, ভোক্তা বাজারে মোট আয় ১০.৯% বেড়েছে, যা অভ্যন্তরীণ চাহিদার দৃঢ়তা নির্দেশ করে।
তবে চ্যালেঞ্জও কম নয়। বৈশ্বিক রাজনৈতিক instability ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত জ্বালানি ও পরিবহন খরচ বাড়িয়েছে। কাঁচামালের ঘাটতি, মূল্যের ওঠানামা এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা কিছু খাতকে পিছিয়ে ফেলেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ ও বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় delays দেখা দিয়েছে, যা সামগ্রিক অগ্রগতিকে প্রভাবিত করছে। মন্ত্রণালয় এখন ৩৭টি বাণিজ্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চালাচ্ছে, যা দেশীয় শিল্পের support নিশ্চিত করছে।
ভবিষ্যতের কৌশলগুলো স্পষ্ট। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য আমদানি ৪২% থেকে ৩০%-এ নামানো হবে। শিল্প আত্মনির্ভরতার লক্ষ্য রাখা হয়েছে—বস্ত্র, জুতা ও রাসায়নিক খাতে স্থানীয়করণের হার ৪০-৪৫% করা হবে। রপ্তানি বাজারের বৈচিত্র্যকরণ ও পরিবেশবান্ধব পণ্যের উপর জোর দেওয়া হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালে রপ্তানি ১৫-১৬% বাড়ানো, যা বৈদেশিক বাজারে ভিয়েতনামের অবস্থান শক্তিশালী করবে।
অভ্যন্তরীণ বাজারে ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হচ্ছে—প্রথম ত্রৈমাসিকে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলো ৩,০০০ ভাঙাচোরা পণ্য সরিয়েছে। ভোক্তা সুরক্ষায় ১.২ বিলিয়ন VND জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো প্রশাসনিক সংস্কার এবং efficiency বাড়ানো, যাতে ব্যবসা পরিচালনায় বাধা কমে। এসব পদক্ষেপ মিলিতভাবে ভিয়েতনামের অর্থনীতির জন্য একটি সুস্থির, কিন্তু সচেতন ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা দিচ্ছে।
জ্বালানি আমদানি ৩০% করার plan পরিকল্পনা ভালো, কিন্তু সৌর ও বায়ুশক্তি কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে? নাকি এটা শুধু কাগজে?
বস্ত্র খাতে স্থানীয়করণ ৪৫% করা সম্ভব হবে না, যদি কাঁচামালের উৎস আমদানির উপর নির্ভরশীল থাকে। এটা একটা contradiction বিরোধ।
ই-কমার্সে নিয়ন্ত্রণ বাড়ছে, ভালো কথা। কিন্তু ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের cost খরচ কমানো উচিত।
১৫-১৬% রপ্তানি লক্ষ্য অনেক উচ্চ, বিশেষত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধারা ৩০১-এর মতো চাপের মধ্যে। এটা কি আদৌ realistic বাস্তবসম্মত?
বাণিজ্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ৩৭টা? এটা দেখায় আমাদের শিল্পগুলো কতটা দুর্বল—অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতা করতে পারছে না। এটা একটা warning সতর্কবার্তা।
২০২৬ তো পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার শুরু। এই ফলাফল ভালো, কিন্তু প্রকৃত sustainability স্থায়িত্ব দেখার জন্য আরও সময় লাগবে।