বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি আমি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব
চট্টগ্রামের রাজনৈতিক মাঠে মোহাম্মদ মনজুর আলমের নাম শুনলেই মনে পড়ে যায় সততা আর সেবার কথা। সাবেক এই মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাবেক উপদেষ্টা সম্প্রতি এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন, যার পর থেকে তাঁকে ঘিরে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ তাঁকে এনসিপিতে যাওয়ার চেষ্টা দেখছেন, কেউ বা public trust দখলের কৌশল মনে করছেন। কিন্তু মনজুর আলমের ঘনিষ্ট মহল জানাচ্ছে, তিনি এখনো বিএনপির প্রতি loyalty রেখে চলেছেন।
ষোল বছর আগে বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত ইচ্ছায় মনজুর আলম মেয়র প্রার্থী হন। তাঁর সাফল্যের পেছনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সর্বশক্তি নিয়ে লড়েছিল। মেয়র হিসাবে তাঁর পাঁচ বছর ছিল স্বচ্ছতার পরিচয়। তিনি নিজের কাজের মাধ্যমে public image বিএনপির ইমেজও উজ্জ্বল করেছিলেন। তবে ২০১৫ সালের নির্বাচনে ভোট ডাকাতির মুখে পড়ে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। তারপর থেকে রাজনীতি থেকে সরে থাকলেও তিনি বিএনপি বা কোনো নেতার বিরুদ্ধে কোনো মন্তব্য করেননি।
২০২৪ সালের আমি-ডামি নির্বাচনে তাঁকে প্রচ- pressure দেওয়া হয় দাঁড়ানোর জন্য। গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়া হয় তাঁকে ও তাঁর ছেলেদেরকে। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ান, কিন্তু আবারো ভোট কেড়ে নেওয়া হয়। গণআন্দোলনের পর তিনি আবার সক্রিয় হন। বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালের পর তিনি দোয়া মাহফিল, কোরআন খতমসহ নানা কর্মসূচি পালন করেন। তাঁর নামে চট্টগ্রামে চালু হয় একটি অবৈতনিক স্কুল, যেখানে এখন চারশের বেশি students পড়ে।
মনজুর আলম স্পষ্ট করেছেন, তিনি বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি lifelong gratitude রাখবেন। তাঁর কাছে এই মহিলা নেত্রী ছিলেন আস্থা ও সম্মানের প্রতীক। বিএনপি ত্যাগ করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না তাঁর কাছে। আসন্ন নির্বাচনে তাঁর প্রার্থীতা নিয়ে আনুগত্য support আছে, কিন্তু চূড়ান্ত decision দলের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। তবে মানুষের সেবা থেকে তিনি কখনো দূরে থাকবেন না, তা তিনি স্পষ্ট করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মনজুর আলম একজন দূরদর্শী নেতা। তিনি ব্যবসা ও সমাজসেবার পাশাপাশি রাজনীতিতে নিজের জায়গা গড়েছেন। তাঁর ছবি শুধু রাজনৈতিক নয়, মানুষের কাছে তিনি একজন বিশ্বস্ত সেবক। জীবনের এই পর্যায়ে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা হারানোর কোনো কারণ নেই। তাঁর সাফল্য ও আচরণ থেকে দেখা যায়, integrity আর আনুগত্য কখনো অচল হয় না।
মেয়র হিসাবে তাঁর কাজের কথা আজও মনে পড়ে। রাস্তা, নালা, পার্ক—সবই ছিল নজরে। public service জনসেবা বলতে এটাই বোঝায়।
এনসিপির সাথে দেখা? ওটা সৌজন্য মাত্র। তিনি বিএনপির মানুষ, এটা তাঁর প্রতিটি কথায় বোঝা যায়। decision সিদ্ধান্ত দলের হাতে দেওয়াই তার প্রমাণ।
ভোট ডাকাতি আর গোয়েন্দা চাপ—এসব দেখে মনজুর আলম যদি রাজনীতি ছাড়তেন, কেউ দোষ দিত না। কিন্তু তিনি থেকে গেলেন। এটাই তাঁর বড় গুণ। pressure চাপ সহ্য করা সহজ নয়।
বেগম জিয়াকে নিয়ে তাঁর কথাগুলোতে আস্থা আর gratitude কৃতজ্ঞতার ঝলক পাওয়া যায়। এমন মানুষ আর কয়জন আছে?
বিএনপির প্রার্থী হওয়া উচিত তাঁর। মানুষ তাঁকে চায়। দল যদি রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশে আঁচড়ায়, তাহলে public trust জনআস্থা হারাবে।
স্কুল চালু করা থেকে শুরু করে সব কিছু দেখে মনে হয় তিনি আসলেই মানুষের জন্য কিছু করতে চান। action কর্ম দিয়ে প্রমাণ করেছেন।