মা-বাবার ভালোবাসা পেতে ‘কবিরাজকে’ ৬৬ লাখ টাকা হারাল স্কুলছাত্রী
মা-বাবার আদর পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষায় এক ১৩ বছর বয়সী ছাত্রী পড়েছেন ভয়ংকর এক fraud জালে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কবিরাজের ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়ানো এক চক্র তাঁর আবেগের ফাঁদে ফেলে money আর gold লুটে নেয়। মোট ছয় লক্ষ ষাষ্ঠি হাজার টাকার সম্পদ হারান তাঁর পরিবার। শেষ পর্যন্ত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চক্রটির তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে সামান্য হলেও relief এনেছে।
জানা গেছে, শেরপুরের এক কাপড়ের ব্যবসায়ীর মেয়ে হিসাবে এই কিশোরীকে target করা হয়েছিল। ‘কবিরাজ’ নামে ইমু ও টিকটকে তাঁর সাথে যোগাযোগ করে চক্রটি। মা-বাবার ভালোবাসা পাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে বিশ্বাস করানো হয় যে ঝাড়-ফুঁক বা traditional treatment দিলে পরিবারের আচরণ বদলাবে। এ বিশ্বাস কাজে লাগিয়েই তাঁর কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে দুই লাখ ৪৩ হাজার টাকা তোলা হয়।
প্রতারকদের pressure বাড়াতেই কিশোরী পরিবারের গয়না ও নগদ টাকা বাড়ি থেকে বের করে আনে। মোট সাড়ে ২৭ ভরি সোনা ও এক লাখ টাকা তাঁদের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু তারপরই তারা উধাও হয়ে যায়। পুলিশ জানায়, এই scam চক্রটি আগেও একই ধরনের action করেছে, বিশেষ করে কম বয়সীদের mental vulnerability কাজে লাগিয়ে।
গত ১৭ মার্চ ঘটনার অভিযোগ জানানোয় পিবিআই তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে গাজীপুর ও ময়মনসিংহ থেকে তিনজন গ্রেপ্তার হয়। মূল অভিযুক্ত মনির হোসেনের নির্দেশে মাটির নিচে পুঁতে রাখা প্রায় ২৫ ভরি সোনা উদ্ধার করা হয়, যার market value প্রায় ৬৪ লাখ টাকা। এখনো চক্রের অন্য সদস্যদের খোঁজ চলছে।
পিবিআই সতর্ক করে বলেছে, অনলাইনে এমন ভুয়া প্রতিনিধি অনেক সময় ‘আল্লাহর দান’ বা অন্য ধর্মীয় উপাধিতে ছড়িয়ে থাকে। এরা আবেগ, ভয় এবং trust কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষকে exploit করে। বিশেষ করে কিশোরদের প্রতি এ ধরনের risk বাড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিবারগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে এবং শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নজরদারি করতে হবে।
একটা child শিশু এত বড় সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে? অভিভাবকদের responsibility দায়িত্ব অনেক বেশি ছিল এখানে।
মা-বাবার ভালোবাসা পেতে এত টাকা? এটা তো শুধু money টাকা নয়, মানসিক health স্বাস্থ্যের বিষয়।
‘কবিরাজ’ নামটা ব্যবহার করে মানুষ trust বিশ্বাস করে। এটাকে কাজে লাগানো trick কৌশল খুব নিচু ধরনের।
৬৬ লাখ টাকা হারানো মানে একটা পরিবারের সম্পূর্ণ life plan জীবনপরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়া।
পুলিশ দ্রুত কাজ করেছে, কিন্তু আগে থেকে warning সতর্কবার্তা দেওয়া হলে হয়তো এড়ানো যেত।
এরকম fraud প্রতারণা আরও ঘটবে যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় regulation নিয়ন্ত্রণ না আনা হয়।