পেশোয়ারকে জিতিয়ে শীর্ষে রেখেই দেশে ফিরছেন শরীফুল ও নাহিদ রানা
পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) পেশোয়ার জালমির হয়ে খেলা বাংলাদেশি পেসারদের পারফরম্যান্স আবারও চোখে পড়েছে। মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে পেশোয়ারের ২৪ রানের জয়তে key role রাখার পর শীর্ষে থাকা দলটিকে শক্তিশালী করে দেশে ফিরছেন শরীফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা। মঙ্গলবার তাঁরা জাতীয় দলে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশে ফিরবেন।
নাহিদ রানা ৪ ওভারে মাত্র ২৪ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন, যা বলের economy এবং pressure তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শরীফুল উইকেট না পেলেও তাঁর ৪ ওভারে ২৭ রান দেওয়া বোলিং লাইন স্ট্যাটসের চেয়ে বেশি কিছু বলে—এটি দলের plan অনুযায়ী বল ছোড়া হয়েছিল। বাংলাদেশি পেসারদের এই ধারাবাহিক performance দেখে জাতীয় দলের কোচিং স্টাফের trust বাড়তে পারে।
পেশোয়ার জালমির ব্যাটিংয়ে শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিসের ৬৮ রানের ইনিংস ছিল ম্যাচের highlight । মোহাম্মদ হারিসও ৩৮ রান করে দলকে শক্তিশালী ভিত্তি দেন। জবাবে মুলতান সুলতানস ১৭২ রানে অলআউট হয়। শান মাসুদের ৩৫ রান হলেও দলের বাকি ব্যাটসম্যানরা failed হন। সুফিয়ান মুকিমের ৩ উইকেট ছিল গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু নাহিদ-শরীফুলের support ছাড়া এই জয় হয়তো সম্ভব হত না।
ছয় ম্যাচে ছয় জয় পেশোয়ারের—১১ পয়েন্ট নিয়ে তারা শীর্ষে। মুলতান সমান ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। এমন সাফল্যের পেছনে বাংলাদেশি পেসারদের ভূমিকা অস্বীকার করা যায় না। বিসিবি ও জাতীয় দলের কাছে এটি একটি স্পষ্ট message : বাংলাদেশের পেস আক্রমণ আর শুধু গতিতে নয়, strategy ও পরিকল্পনায় এগিয়ে যাচ্ছে।
এই মুহূর্তে শরীফুল ও নাহিদের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে এটি crucial phase । পিএসএলে ভালো পারফরম্যান্স তাঁদের বিদেশি লিগে সুযোগ বাড়াবে। আবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে জাতীয় দলে তাঁদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। এই দুই পেসারের উপর চোখ রাখছে ক্রিকেটপ্রেমীরা—শুধু বাংলাদেশ নয়, আন্তর্জাতিক দর্শকও।
নাহিদের economy দেখে মনে হচ্ছে ও আর কিছু না, শুধু গুগলি বল ছুঁড়ছে। কিন্তু সেইটাই তো আসল pressure চাপ তৈরি করে।
শরীফুল উইকেট না পাওয়ায় কেউ কেউ তাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। কিন্তু ওভারপ্রতি ৭.৯৩ রান দেওয়া মানেই তো বাজারে value মূল্য আছে।
বিসিবি আগে নাহিদকে দলে নিত না, এখন পিএসএলে দেখে হঠাৎ trust আস্থা পেল? একটু হাইপোক্রিসি মনে হয়।
পেশোয়ার জালমির মতো দলে খেলা বাংলাদেশি বোলারদের জন্য opportunity সুযোগ। এখানে ভালো করলে আন্তর্জাতিক দলে সুযোগ মিলবে।
আমার চিন্তা হচ্ছে, জাতীয় দলে ফিরে এই ফর্ম বজায় রাখতে পারবে কি না। পিএসএলে ভালো মানেই তো direct impact সরাসরি প্রভাব নাও হতে পারে।
শরীফুলের বল আজ আসলেই ঘুরছিল। বাংলাদেশের জন্য এমন পেসারদের support সমর্থন জরুরি।