হামে আরও ৫ জনের মৃত্যু: সন্দেহজনক রোগী হাজারে হাজারে, ভয় ছড়াচ্ছে সারা দেশে
death আর ভয়—দুটোই এখন হামের সঙ্গে লেগে থাকা শব্দ। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে infected হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে, আর হামের উপসর্গে চারজনের প্রাণহানি ঘটেছে। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুমের তথ্যে এই মর্মান্তিক ছবি ফুটে উঠেছে। শুধু একদিন নয়, গোটা সপ্তাহ জুড়ে হাম ছড়িয়েছে যেন অদৃশ্য আগুনের মতো। nationwide এখন হামের হদিস মিলছে হাজারে হাজারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩৫৮ জন। এদের মধ্যে ৯০ জনের নিশ্চিত হাম রোগ ধরা পড়েছে। ১৫ মার্চ থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে, সন্দেহজনক রোগী হয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৮৬ জন, আর নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৬৯৩ জনে। হাম এখন শুধু সংখ্যা নয়, এটি একটি outbreak , যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে চাপে ফেলেছে।
এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২ হাজার ৪৪২ জন। অন্যদিকে, ১৯ হাজার ১৮ জন recovered হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। কিন্তু এই প্রতিবেদনের কথা শুনলে বুঝা যায়, সুস্থতার চেয়ে মৃত্যুর হার কমছে না। ১৫ মার্চ থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, আর সন্দেহজনক হামে ২২০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। একটি disease যা আগে নিয়ন্ত্রণে ছিল, আবার তার মাথা চড়ানো শুরু করেছে।
স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাম এখনও ছড়াচ্ছে দ্রুত pace । ভ্যাকসিনেশন এবং সচেতনতা ছাড়া এর বিরুদ্ধে লড়াই কঠিন। এই রোগটি শিশুদের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদেরও সুযোগ করে দিচ্ছে। সরকারের কন্ট্রোল রুম থেকে তথ্য আসছে নিয়মিত, কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়—কতটা সময় আগে থেকে প্রতিরোধ হতে পারত? কতজন এখনও অসুস্থ হবেন, তা কে জানে? public মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছানো কি যথেষ্ট হচ্ছে?
আমার এলাকায় এখন অনেকেই হামের কথা নিয়ে concerned উদ্বিগ্ন। ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত কিনা ভাবছি।
২২০ জনের মৃত্যু সন্দেহজনক হামে? এটা কি মানে, তাদের মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত নয়?
হাম শুধু সংক্রমণ নয়, এটি স্বাস্থ্য system ব্যবস্থার পরীক্ষা। আমরা প্রস্তুত কি?
এই সময়ে সুস্থ হয়ে ১৯ হাজারের বেশি মানুষ বাড়ি ফিরেছেন, এটা একটা positive ইতিবাচক দিক।
সরকার তথ্য দিচ্ছে, কিন্তু ক্ষেত্রে ক্ষেত্রে সেই তথ্য পৌঁছাচ্ছে কি?
আমার ছেলের বয়স ৮, তাকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রতিবেশীদের মধ্যে অনেকেই টিকা নিতে দ্বিধা বোধ করে।
হাম নিয়ে আবার এত কিছু কেন? আগে তো এমন ছিল না।
এই রোগ ফিরে এসেছে কারণ সচেতনতা কমেছে। আমরা ভুলে গেছি কী ভয়ংকর হতে পারে এটি।