উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে বাংলাদেশ: হাম কেন ফিরে এলো?
পরিস্থিতিটা আর নিয়ন্ত্রণে নেই—মাত্র এক মাসেরও বেশি সময়ে হামে affected হচ্ছে হাজার হাজার শিশু, আর মৃত্যু হচ্ছে প্রতিদিন। ঢাকার হাসপাতালগুলোতে শিশুদের জন্য বিশেষ ward চালু হয়েছে, আবার গ্রামের উপজেলা হাসপাতালেও ভিড় বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) বাংলাদেশকে এখন 'high risk ' বলে চিহ্নিত করেছে, কারণ দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৫৮টিতেই ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। এটা আর কোনো সাধারণ রোগ নয়—এটা এক ধাপ আগেই outbreak ।
ডাব্লিউএইচও তাদের প্রতিবেদনে স্পষ্ট করেছে: হামের এই ছড়ানোর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো vaccine না নেওয়া বা অসম্পূর্ণ টিকাদান। অনেক শিশুর শুধু প্রথম ডোজ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া হয়নি। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন বলেন, এই অবস্থায় সরকারের জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করা উচিত ছিল—যাতে চিকিৎসা ও treatment আরও বাড়ানো যেত। কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, মহামারী ঘোষণার ক্ষমতা শুধু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের ৭৯ শতাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী, আর ৩৩ শতাংশ মাত্র নয় মাসের কম বয়সী। এমন ছোট শিশুদের শরীরে হাম এসে পড়লে তা দ্রুত মারাত্মক danger ডেকে আনে। চিকিৎসকরা বলছেন, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা—যেমন কামরাঙ্গীরচর, মিরপুর, ডেমরা—এসব জায়গায় সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে। এখানে এক ব্যক্তির কাশি বা হাঁচি এক পুরো সম্প্রদায়কে আক্রান্ত করে ফেলতে পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখন যে পরামর্শ দিয়েছে, তার মূল ভিত্তি হলো prevention । তারা ৯৫ শতাংশ coverage টিকাদানের পরামর্শ দিয়েছে। সীমান্ত এলাকাগুলোতে, বিশেষ করে যশোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে, সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি বলে সেগুলোকে 'হটস্পট' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তারা isolation ব্যবস্থা, তাৎক্ষণিক detection এবং equipment মজুত রাখার পরামর্শ দিয়েছে। এখন শুধু অপেক্ষা নয়—কাজ করার সময়।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন থেকে যেকোনো জ্বর হলেই শিশুকে immediately আলাদা করা উচিত। আক্রান্ত হওয়া থেকে বাঁচা মানুষদের supplement হিসেবে vitamin এ দেওয়া জরুরি। সংক্রমণের সংস্পর্শে আসা প্রত্যেককে তিন দিনের মধ্যে টিকা দিতে হবে। এ সংকট কাটাতে শুধু সরকারের নয়, সমগ্র society দায়িত্ব। এখন প্রতিটি বাড়িতেই সচেতনতা ছড়ানো জরুরি।
আমার বাড়ির পাশের এলাকায় ইতিমধ্যে দুজন শিশু আক্রান্ত হয়েছে। vaccination টিকাদান নিয়ে এখনো কত অবহেলা!
আমার ছোট্ট মেয়ে এখন মাত্র পাঁচ মাসের। এই সময়ে infection সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া কত কঠিন!
হাসপাতালে ভিড় বাড়ছে, কিন্তু staff স্টাফ কম। চিকিৎসা সেবা দেওয়া ক্রমশ অসম্ভব হয়ে উঠছে।
ভাবছি, বাচ্চাদের নাম কেন হাম হয়? measles হাম তো একটা গাছের নামও!
আমাদের এখানে আজ পর্যন্ত মাত্র দুই জন আক্রান্ত হয়েছে। এখনো সময় আছে campaign অভিযান শুরু করার।
সব কথার শেষে, কে কার উপর দোষ চাপাচ্ছে না দেখে, আসল solution সমাধান কী হতে পারে?
বাচ্চা হলেই শুধু ভয় পাই না, সবসময় মাথা খাটাতে হয়। আমি আমার দুই সন্তানকে সময়মতো dose ডোজ দিয়েছি।
টিকা দেওয়া থামালে আবার হামের মতো নির্মূল রোগ ফিরে আসে। এটা কোনো rumor গুজব নয়, বিজ্ঞান।