দাম বাড়ানোর পর জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়াল বিপিসিফিলিং
দাম বাড়ানোর পর জ্বালানি তেলের supply বাড়াল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সোমবার থেকেই ফিলিং স্টেশনগুলো extra পরিমাণে তেল পাবে। অকটেনের সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে ২০ শতাংশ, আর পেট্রল ও ডিজেলের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর সরকার জানিয়েছে, বিশ্ববাজারের চাপে দাম বাড়াতে হয়েছে, কিন্তু সরবরাহ বাড়িয়ে মানুষের hardship কমাতে চায় রাষ্ট্র। এর আগে রোববার মানুষকে দেখা গেছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে waiting করতে।
গত শনিবার রাতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়: ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৪০ টাকা, পেট্রল ১৯ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকায় নির্ধারণ করা হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু admitted করেন, বৈদেশিক মুদ্রায় আমদানি করতে হয় বলে এই step অনিবার্য ছিল। তিনি বলেন, দাম বাড়িয়ে সহনীয় মাত্রায় মজুত বান্ধনের চেষ্টা করা হয়েছে।
বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, ডিজেলের চাহিদা এপ্রিলে প্রায় চার লাখ টন, কিন্তু বর্তমান মজুত মাত্র ১ লাখ ২ হাজার টন। আগামী দুই সপ্তাহে আরও ৪ লাখ ৭৮ হাজার টন ডিজেল মজুতে যুক্ত হবে। চারটি জাহাজে ইতিমধ্যে ১ লাখ টনের বেশি ডিজেল দেশে এসেছে। যদিও গত মাসে ডিজেলের সরবরাহ ১০ শতাংশ কমানো হয়েছিল এবং এপ্রিলে কমেছে ৬ শতাংশ। মানুষ এখনও তেলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু সরকারের দাবি, সরবরাহ বাড়লে অবস্থার improvement হবে।
অন্যদিকে, বিপিসি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৩,৯৪৩ কোটি টাকা এবং ২০২৪-২৫ এ চার হাজার কোটি টাকার বেশি profit করেছে। এপ্রিলে মাত্র প্রথম ৮ মাসেই এক হাজার কোটি টাকার বেশি মুনাফা হয়েছে। কিন্তু মার্চে যুদ্ধজনিত পরিস্থিতিতে ২,২০০ কোটি টাকার মতো লোকসান হয়েছিল। নতুন দামে মাসে আরও ৭৫০ কোটি টাকা আয় হতে পারে। গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, দাম বাড়ানো মূল্যস্ফীতি pressure বাড়াবে, আর সরবরাহের সমস্যা দূর হবে না। এটি কেবল সরকারি আর্থিক চাপ relieve পারে।
সরকার জ্বালানি তেল থেকে প্রতি বছর ১৩-১৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পায়। শুল্ক ও কর এবং বিক্রির মুনাফা থেকে এই আয় হয়। বিপিসি এবং এর অধীনস্থ কোম্পানিগুলো পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ডিলারদের মাধ্যমে তেল বিক্রি করে। দেশে জ্বালানির একচেটিয়া ব্যবস্থাপনা এখনও সরকারি হাতে। এই ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে: কেন বাজার ভারসাম্যহীন, আর কেন মানুষকে এত suffering পেতে হয়?
গত বছরের তুলনায় এপ্রিলে অকটেনের সরবরাহ কমেছে ৫৬ টন, এখন তা ২০ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে। পেট্রলের মজুত বর্তমানে ১৮,৮৩০ টন, যা সম্পূর্ণ দেশীয় উৎপাদনের। অকটেন ও পেট্রল মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়িতে ব্যবহৃত হয়। সরকার জানিয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় এখন প্রতিদিন ফিলিং স্টেশনগুলোর জন্য নতুন বরাদ্দ তৈরি করা হবে। তবে মানুষের প্রশ্ন: এত দেরি কেন? crisis চলাকালীন সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কেন এতদেরি হলো?
দাম বাড়ানোর পর সরবরাহ বাড়ানো? এটা কি logic যুক্তি নাকি রাজনৈতিক মুখোশ?
গতকাল ১৬ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে diesel ডিজেল নিলাম। আজ আবার যাব। কাজ করব কী করে?
মুনাফা চার হাজার কোটি টাকা? তাহলে ভর্তুকি দেওয়া cost খরচ কেন আমাদের উপর?
যদি মজুত ভালো থাকে, তাহলে প্রথমেই সরবরাহ বাড়ানো হলো না কেন? এই ধরনের delay দেরি কেন সবসময়?
সরকার বলছে বাড়তি আয় হবে ৭৫০ কোটি। কিন্তু মানুষের জীবনে impact প্রভাব তো আরো বেশি।
বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মেলানো দরকার, কিন্তু কেন কেবল দাম বাড়ে, supply সরবরাহ বাড়ে না?
একটা মাসের মধ্যে দাম বাড়ানো আর সরবরাহ বাড়ানো— এটা কি আদৌ planning পরিকল্পনা?
আমরা কি কেবল ভোটের সময় গুরুত্ব পাই? মাঝের সময়গুলোতে এই suffering কষ্ট কেন চলে?