গোপনে ভিডিও তোলা: যৌন কেলেঙ্কারিতে আবার শ্রীলঙ্কার যুব ক্রিকেটার
cricket মানে শুধু ব্যাট-বল নয়, মাঝে মাঝে তা হয়ে ওঠে চরিত্রের পরীক্ষা। শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় team দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ আবার মাথা চাড়া দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ—secret মোবাইল ফোনে চিকিৎসকদের ভিডিও তোলা, শৌচাগারের দরজার ফাঁক দিয়ে। এই ধরনের ঘটনা শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটে একেবারে নতুন নয়। আগেও সিনিয়র তারকারা—যেমন দিলশান, গুণতিলকা—যৌন অপরাধের অভিযোগে জড়িয়েছিলেন। ক্রীড়াঙ্গন এবার আবার লজ্জায় মুখ ঢাকছে।
ঘটনাটি ঘটেছে কলম্বোর নারাহেনপিতা এলাকার একটি হোটেলে। মহিলা চিকিৎসকরা সেখানে পেশাগত আলোচনাসভায় অংশ নিতে গিয়েছিলেন। স্নানের সময় তাঁদের private মুহূর্ত গোপনে ধরা হয় মোবাইলে। পুলিশের তদন্তে সামনে এলো, পুরুষ চিকিৎসকদেরও লক্ষ্য করা হয়েছিল। এই অপরাধমূলক আচরণ শুধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, এটি ক্রিকেট culture নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।
গ্রেফতার হওয়া ক্রিকেটারদের হাফটসড্রপ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে পেশ করা হয়। আদালত ১,৫৬৪ মার্কিন ডলারের bond দিয়ে জামিন মঞ্জুর করে। তাঁদের আগামী ২৫ মে court হাজিরা দিতে হবে। এখনও পর্যন্ত পুলিশ খুঁজছে—এই ভিডিওগুলি কি upload করা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় বা কোনও ওয়েবসাইটে। এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো মামলার গতি বদলে দেবে।
যৌন কেলেঙ্কারি শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটের একটি dark অধ্যায়, যা বারবার ফিরে আসছে। তরুণ ক্রীড়াবিদদের মধ্যে এমন নৈতিক বিপথগমন দেখে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন—ক্রিকেট দলগুলোতে কি ঠিকমতো পরিচালনা হচ্ছে? কোনও role পালন করছে না কোচ বা কর্তৃপক্ষ? এটি শুধু দুই ক্রিকেটারের ব্যক্তিগত ব্যর্থতা নয়, এটি গোটা ব্যবস্থার ফাঁকফোকরের অভিযোগ।
ভিডিও তোলার মতো ঘটনা আজকের ডিজিটাল যুগে আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। একটি মুহূর্তের shame বা অপমান হয়ে উঠতে পারে স্থায়ী। এমন ক্রীড়াবিদদের জন্য শাস্তি কতটা হবে, তা আদালত ঠিক করবে। কিন্তু এটা স্পষ্ট, ক্রিকেট মাত্র দক্ষতা নয়, এটি অখণ্ডতা চায়। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের জন্য এটি আরেকটি পরীক্ষা, আবারও অখণ্ডতা ফিরে পেতে হবে।
এটা কি একটা দলগত সমস্যা? বারবার এমন ঘটনা ঘটলে কি গাঠনিক পরিবর্তন দরকার নয়?
চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে এমন আচরণ অসহ্য। তাঁদের মর্যাদা রক্ষা হোক।
জামিনে ছেড়ে দেওয়া হলো? এটা কি খেলোয়াড় হওয়ার সুবিধা?
এই ধরনের ক্রিকেটারদের জন্য কঠোর শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ছড়ালে তো কথাই নেই। এখনকার সময়ে এটা viral ভাইরাল হতে পারে মুহূর্তে।
আদালতে হাজিরা দেবে, কিন্তু ক্রিকেট বোর্ড কি কিছু করবে?
অনূর্ধ্ব-১৯ মানে খুব তরুণ। হয়তো তারা বুঝছে না কী করছে। কিন্তু তাই বলে excuse অজুহাত হবে না।
শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের ইতিহাসে এটা আরেকটা কালো দাগ।