প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে শিশির মনিরের ৯টি পরামর্শ
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে একজন পাবলিক ফিগার হিসেবে নয়, বরং দেশের নেতা হিসেবে নয়টি সরাসরি পরামর্শ উপস্থাপন করেছেন। গত শুক্রবার সকালে তাঁর ফেসবুক পোস্টে এই খোলা চিঠিটি প্রকাশিত হয়, যেখানে ক্ষমতার ব্যবহার, পরিবারের ভূমিকা এবং জনগণের trust ফিরে পাওয়ার চ্যালেঞ্জ নিয়ে স্পষ্ট কথা বলা হয়েছে।
মনির তাঁর প্রথম পয়েন্টে আস্থা জানিয়েছেন যে, ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের কাছে অপ্রিয় সত্য শোনা কঠিন, কারণ অনেকেই তোষামূদি করে আর কেউ কেউ fear পেয়ে মুখ খোলে না। তিনি ইঙ্গিত করেছেন, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারকে ঘিরে একই ধরনের flattery হচ্ছে, যা অতীতে অনেককে জনমন থেকে দূরে ঠেলে দিয়েছে। ডিগ্রি-উপাধির পাহাড় শেষ পর্যন্ত কারও কোনো protection হয়নি।
তৃতীয় পয়েন্টে তিনি বিভিন্ন উদাহরণ তুলে ধরেছেন: মহান জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা, টাইম ম্যাগাজিনে ১০০ প্রভাবশালীদের তালিকায় স্থান, প্রোটোকল দেওয়া এবং মাধ্যমে মা খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান—এগুলো তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার ও পরিবার-কেন্দ্রিক প্রদর্শনী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এমন symbolic acts জনগণকে বিভ্রান্ত করে, বিশেষত যখন প্রকৃত কাজের অভাব থাকে।
শিশির মনির স্বীকার করেছেন, প্রধানমন্ত্রী কিছু simple gestures দেখিয়েছেন—যেমন সাধারণ পোশাক, প্রোটোকল কমানো, হাঁটা এবং সময়মতো অফিসে যাওয়া। কিন্তু তিনি সতর্ক করেছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণ আর শুধু চেহারা বা আচরণ দেখে খুশি হয় না। তারা চায় real change । কাজের মাধ্যমে যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে, অন্যথায় public support হারানো অনিবার্য।
তিনি সরকারের জুলাই সনদ implementation নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। প্রতিশ্রুত পদ্ধতি থেকে বিচ্যুত হওয়া এবং নিজেদের প্রস্তাবিত গণভোট অমান্য করা হয়েছে—এটা কেবল নীতি নয়, personal credibility নষ্ট করছে। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, পরিবারকেন্দ্রিক নেতৃত্ব নয়, বরং যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতা গড়ে তোলাই হওয়া উচিত। কৃত্রিম নেতৃত্ব ক্ষোভ তৈরি করে, আর তা রাজনৈতিক risk বাড়ায়।
শেষে তিনি স্পষ্ট করেছেন, এই মন্তব্যগুলোর পেছনে কোনো ব্যক্তিগত অভিসন্ধি নেই। তিনি একজন নাগরিক হিসেবে কথা বলছেন, কারণ প্রধানমন্ত্রী এখন public authority পালন করছেন। জনগণ নতুন আশা নিয়ে আছে—আর সেই আশা রূপায়িত হতে হবে বাস্তব কাজের মাধ্যমে, নাটকীয় statements বা অতিরিক্ত সম্মান প্রদর্শন নয়।
প্রোটোকল কমানো ভালো, কিন্তু সেই সাথে কি actual decisions প্রকৃত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে? হাঁটা ভালো, কিন্তু কোথায় যাচ্ছেন?
শিশির মনির ঠিকই বলেছেন—গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষ তোষামোদি চায় না। তারা results ফলাফল চায়।
পরিবারের জন্য পুরস্কার দেওয়া হলে কী হয়? সেটা কি আর national interest জাতীয় স্বার্থ হয়?
আমি প্রধানমন্ত্রীর সহজ জীবনযাপন পছন্দ করি, কিন্তু সেটা কি সত্যিকারের leadership নেতৃত্ব নাকি শুধু ছবি তোলার পজ?
জুলাই সনদের বাস্তবায়নে যদি accountability জবাবদিহিতা না থাকে, তবে গণভোটের কথা বলা বৃথা।
কথায় আর কাজে মিল না থাকলে মানুষ বিশ্বাস করবে কীভাবে? এটা তো এখন basic expectation মৌলিক আশা।