পর্দার আড়ালে কিছু অপেক্ষা করছে, যা আমাদের অনির্ধারিত গন্তব্যে নিয়ে যাবে
রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য the crisis নিয়ে মন্তব্য করেছেন, যা দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক stability নাড়া দিচ্ছে। গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, আঞ্চলিক কূটনীতি, তেলের shortage , এবং যুদ্ধ-বিগ্রহ বাংলাদেশের উপর impact ফেলেছে। তিনি বলেন, দেশের মধ্যে পাহাড় সমান সমস্যা আমাদের public trust ভেঙে দিচ্ছে।
তিনি তাঁর ভিডিওতে বলেন, মানুষ পানিতে ডুবে থাকা মাছ ধরার মতো তেলের জন্য হাতড়াচ্ছে। daily life এখন অনিশ্চয়তায় ভরা। ১০-২০ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও মানুষ তেল পাচ্ছে না। তিনি এক বন্ধুর কথা উল্লেখ করেন, যিনি গুলশানের মতো এলাকায় ১২ থেকে ১৫ কোটি টাকার অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন, কিন্তু তাঁকে বলছিলেন, "আমি খুব বিপদে, আমাকে ৫০ হাজার টাকা হাওলাত দাও।" এই ঘটনা reality প্রকাশ করে, যেখানে সামাজিক ও আর্থিক অবস্থা নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে।
রনি আওয়ামী লীগ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, আমরা যে আওয়ামী লীগকে হিসাবের বাইরে রাখছি, তা কি পুনরায় ক্ষমতায় ফিরবে? শেখ হাসিনার প্রতি জনসমর্থন কি ফিরে আসবে? তিনি প্রশ্ন তোলেন, political change কি নতুন দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজপথ নাড়া দেবে?
উনি রংপুর থেকে উঠে আসা জনগণের কণ্ঠকে উল্লেখ করে বলেন, কি কোনো নতুন আন্দোলন আবার রাজনীতিকে reshaped করবে? তাঁর ভাষায়, "আমরা যা দেখছি তা সত্য নয়, যা শুনছি তাও সত্য নয়।" একটি অদৃশ্য শক্তি হয়তো আমাদের অনির্ধারিত গন্তব্যের দিকে leading ।
এই মন্তব্যগুলো প্রকাশিত হয়েছে তিনতন্ত্রের ফেসবুক পেজে আপলোড করা একটি ভিডিওতে। রনির কথায় জনগণের মধ্যে ব্যাপক anxiety প্রতিফলিত হচ্ছে, যা শুধু অর্থনৈতিক নয়, বরং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার সঙ্গে জড়িত। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এখন যা ঘটছে, তা হয়তো শুধু পর্দার আড়ালের শুরু।
গুলশানের অ্যাপার্টমেন্টের কথা শুনে অবাক হলাম। যার এত টাকা, তাকেও financial crisis আর্থিক সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে?
যারা ক্ষমতায় আছে, তারা এই economic pressure অর্থনৈতিক চাপ থেকে কেন বাঁচছে না দেখায়?
একটা সময় আওয়ামী লীগ ছিল জনগণের আশা। এখন সেই trust বিশ্বাস কি আর ফিরবে?
তেল না পাওয়া পর্যন্ত আমরা বুঝব না কতটা vulnerable ভুলভাবে নির্ভরশীল?
পর্দার আড়ালে কি আসলে কেউ আছে নাকি শুধু fear ভয় ছড়ানো হচ্ছে?
৫০ হাজার টাকা হাওলাত চাওয়া কোনো middle-class মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য কতটা বড় চাপ, তা অনেকেই বুঝবে না।
তিনতন্ত্রের মতো প্ল্যাটফর্মে এই ধরনের public statement জনসাধারণের কাছে বক্তব্য কেন আসে, তা নিজেই একটা প্রশ্ন।