গণতন্ত্রের খাল আবার পরিষ্কার করা দরকার?
democracy হারিয়ে গিয়েছিল এমনটা আর বলা যায় না—কারণ সেটি ফিরে এসেছে, কিন্তু ধরে রাখা যাবে কি না, সেটাই এখন প্রশ্ন। জাতীয় সংসদের deputy স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নেত্রকোনায় এক event বলেন, এই গণতন্ত্রকে অব্যাহত রাখতে হলে রাজনৈতিক parties মধ্যে সমন্বয় আর ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তুলতে হবে। তাঁর ভাষায়, আপনারা রাজনীতি করুন, কিন্তু maintain রাখুন সৌহার্দ সম্প্রীতি। এটা কোনো নতুন মন্ত্র নয়, কিন্তু আজকের রাজনৈতিক climate এটা মনে করিয়ে দেওয়ার মতো একটা মুহূর্ত।
বিদ্যমান fuel ঘাটতি নিয়ে জনগণের মধ্যে যখন উদ্বেগ ছড়িয়েছিল, তখন সরকারি ও বিরোধী দল মিলে একটি কমিটি গঠন করা হয়। ডেপুটি স্পিকার সেটাকেই উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন। এটা, তাঁর কথায়, গণতন্ত্রের beauty —যেখানে বিরোধ থাকলেও সমাধানের জন্য একসাথে কাজ করা হয়। এই ধরনের cooperation আরও বাড়ানো দরকার, যাতে বাংলাদেশ এগিয়ে যায় সব political শক্তির ঐক্যে। এটা শুধু আশা নয়, বরং গণতান্ত্রিক process অপরিহার্য শর্ত।
কিন্তু প্রশ্ন ওঠে: এমন সমন্বয় কি সম্ভব হবে, যখন রাজনৈতিক আলোচনা প্রায়শই তিক্ততায় ভরে ওঠে? রাজনীতি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয়, এটা সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা। কায়সার কামালের আহ্বান সেই দায়বদ্ধতার কথা মনে করিয়ে দেয়। নেতৃত্ব মানে শুধু ঘোষণা নয়, সংযম আর মর্যাদার প্রকাশও। যদি প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল নিজের স্বার্থের চেয়ে জাতিকে বড় করে দেখে, তবে গণতন্ত্র টিকবে। আর সেটা শুরু হয় respect আর সংযম থেকে।
অনুষ্ঠানটি ছিল একটি খাল পুনর্সংস্কারের inauguration উপলক্ষে, কিন্তু সেখানে উঠে আসা political বার্তা ছিল আরও গভীর। খাল যেমন পঙ্কিল হয়ে গেলে পুনর্জীবিত করা দরকার, তেমনি রাজনীতিতেও সংস্কার চাই। কায়সার কামালের বার্তা ছিল স্পষ্ট: নবায়ন দরকার, রাজনৈতিক culture । এবং এটা হবে না হঠাৎ করে, হবে ধীরে ধীরে, প্রতিটি বক্তব্য আর প্রতিটি সিদ্ধান্ত দিয়ে। আর সেই যাত্রা শুরু হোক সংলাপ দিয়ে, দ্বন্দ্ব নয়।
সৌহার্দ সম্প্রীতি বজায় রাখা কথাটা ভালো শোনায়, কিন্তু reality বাস্তবতা কি তাই?
গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হলো ভিন্নমত থাকা সত্ত্বেও কাজ করা যায়।
বিরোধী দলের সঙ্গে কমিটি করা হয়েছে শুনে ভালো লাগলো, hope আশা করি এটা আসলেই কাজ করবে।
খাল পুনর্সংস্কারের সভায় রাজনীতি করা হচ্ছে নাকি সত্যিকারের development উন্নয়ন হচ্ছে?
আমরা কি আর বিশ্বাস করবো এমন কথায়? প্রতি সভাতেই তো একই কথা।
রাজনীতি করুন, কিন্তু মর্যাদা রাখুন—এটাই চাই।
সব দলের জন্য একই মাপকাঠি প্রয়োগ হবে কি না, সেটাই না আসল প্রশ্ন।
সংলাপ আর সম্মান ছাড়া গণতন্ত্র টেকে না, এটা সবার মাথায় রাখা দরকার।