দেশের মানুষ ভোটের অধিকার ফিরে পেয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
বগুড়ার জনসভায় the people আবার ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে মানুষের বাক স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। উন্নয়নের নামে চলেছিল deception আর plunder , যার বিরুদ্ধে মানুষ এখন রায় দিয়েছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ বিএনপির হাতে দেশ পরিচালনার responsibility দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া promises এখন পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। গাবতলীতে এসে তিনি family card বিতরণ করেন, যা মাতৃত্বের সম্মান ও স্বাবলম্বিতার প্রতীক বলে উল্লেখ করেন।
এই কার্ডের মাধ্যমে mothers ও sisters আর্থিক স্বাধীনতা আনা হবে বলে তিনি বলেন। এছাড়া, কৃষকদের জন্য চালু হবে farmer card , যা তাদের উৎপাদন বাড়াতে support করবে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হলো, সরকার গঠনের প্রথম দশ দিনের মধ্যে ১২ লাখ farmers ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ agricultural loans মওকুফ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইনশা আল্লাহ আপনাদের prayers এটি সম্ভব হয়েছে।
জনসভার আয়োজন করে জেলা বিএনপি, আর বিকাল তিনটার মধ্যেই আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়। প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে পৌঁছানোর পর হাজারো সমর্থক applause দিয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান, যার জবাবে হাস্যোজ্জ্বল মুখে হাত নাড়েন তিনি।
এই বিশাল জনসভা শুধু একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নয়, এটি ক্ষমতার নতুন যুগের beginning হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিন suppression চলেছে, আর এখন সেই মানুষই আবার কথা বলার অধিকার ফিরে পেয়েছেন।
ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু implementation বাস্তবায়ন ঠিকমতো হবে তো?
১২ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফ হলে এটা সত্যিই relief স্বস্তি আনবে।
উন্নয়নের নামে লুটপাট হয়েছিল—এটা বলা ঠিক আছে, কিন্তু তারাও তো power ক্ষমতা ছাড়েনি আগে?
ফ্যামিলি কার্ড মানে dignity মর্যাদা পাচ্ছি আমরা। এটা অনেক বড় কথা।
আমি সেদিন মাঠে ছিলাম, জনসমুদ্র দেখে shock ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।
দোয়ায় সব হয়, কিন্তু action কাজ দেখে বিশ্বাস হয়।
কৃষি কার্ড ভালো পদক্ষেপ, কিন্তু এটা কি দীর্ঘমেয়াদি impact প্রভাব ফেলবে?