নানক তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ ঘোষিত
মানবতাবিরোধী crime মামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ মোট ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি রাজনৈতিক pressure ও আইনের শাসনের মধ্যে সংঘাতের একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা সাধারণ মানুষের trust ফিরে পাওয়ার প্রতি নজর আকর্ষণ করছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ বুধবার (১৫ মার্চ) ঘোষণা করেছে যে, পরবর্তী শুনানি আগামী ২৬ এপ্রিল হবে। এই তারিখটি নির্ধারণ করা হয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠনের process এগিয়ে নেওয়ার জন্য। এতে স্পষ্ট হচ্ছে যে, আইনি যন্ত্রাংশটি কাজ করছে, যদিও তা ধীরে ধীরে।
অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার এবং সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার। তাদের অধিকাংশই এখন fugitive । এ ধরনের অবস্থা মামলার progress বাধাগ্রস্ত করছে এবং জনগণের মধ্যে আইনের প্রতি সন্দেহের risk বাড়াচ্ছে।
বর্তমানে চারজন আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানার সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল। এই গ্রেফতারগুলো কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে, কিন্তু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে যে, কেন শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিরা এখনও free পাচ্ছেন? এটি প্রতিষ্ঠানগুলোর credibility নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
এত উঁচু পদের লোক নিয়ে মামলা হলেও পলাতক থাকার reality বাস্তবতা দেখে মন খারাপ হয়।
২৬ এপ্রিল নির্ধারিত হলেও সেদিন কতটা actual প্রকৃত শুনানি হবে, সেটাই দেখার।
আইনের শাসন বলতে গেলে পলাতক আসামিরা কেন এখনও ধরা পড়ছে না? এটা কি কোনো decision সিদ্ধান্ত-এর অভাব, নাকি support সমর্থন নেই?
গ্রেফতার হয়েছে চারজন, কিন্তু যারা বড় পদে ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর action পদক্ষেপ কবে?
আসামিরা পলাতক থাকা মানে কি তদন্ত প্রতিষ্ঠানের weakness দুর্বলতা, নাকি রাজনৈতিক protection সুরক্ষা?
এত বড় মামলায় কেবল চারজন গ্রেফতার? বাকিরা কি অদৃশ্য হয়ে গেল? এটা কি justice ন্যায়বিচার নাকি কৌশল?