বীর মুক্তিযোদ্ধার মুক্তির দাবিতে টঙ্গীতে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ঘিরে বিক্ষোভ

গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি উত্তপ্ত রাজনৈতিক action অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারের নিঃশর্ত release দাবি তুলে ধরে দলীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ঘিরে ধরে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখের দিন এ ঘটনা ঘটে, যখন প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইলগামী পথে টঙ্গী অতিক্রম করছিলেন। সকাল থেকেই উড়াল সড়কের স্টেশন রোডে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী support নিয়ে অবস্থান নেয়, ব্যানার ও ফেস্টুন উত্তোলন করে।

প্রায় সকাল পৌনে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর আসতেই এলাকাটি pressure পরিণত হয়। নেতাকর্মীরা স্লোগান দিতে শুরু করে, গাড়ির গতি কমিয়ে একটি human barrier তৈরি করে এবং নূরুল ইসলাম সরকারের তাৎক্ষণিক মুক্তির দাবি জানায়। এই প্রতীকী বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাসান উদ্দিন সরকার, যিনি বলেন, 'আমার ভাই বিনা অপরাধে ২৩ বছর ধরে কারাগারে। আমরা তার নিঃশর্ত freedom চাই।'

নূরুল ইসলাম সরকার টঙ্গীর নোয়াগাঁও স্কুল মাঠে ২০০৪ সালে ঘটিত হত্যা মামলার সঙ্গে যুক্ত আছেন, যেখানে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার খুন হন। মামলায় তাঁকে সরাসরি আসামি করা হয়নি, কিন্তু তাঁকে 'লালিত পালিত' হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ২০০৫ সালে আদালত তাঁকে সহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। পরবর্তীতে হাইকোর্ট কয়েকজনের দণ্ড বহাল রাখলেও সরকারের মামলা এখনো pending অপেক্ষায় আপিল বিভাগে।

বিএনপি নেতারা দাবি করছেন, এটি একটি fabricated case , যার মাধ্যমে রাজনৈতিকভাবে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে কারাগারে রাখা হয়েছে। তাঁদের মতে, ন্যায়বিচারের নামে এতদিন অবহেলা চলেছে এবং এখন সরকারের উপর public trust নাড়া খেয়েছে। ঘটনাটি শুধু একটি মুক্তিযোদ্ধার মুক্তির দাবি নয়, এটি বরং রাজনৈতিক justice ও মানবাধিকারের প্রতীক।

প্রতিক্রিয়া 6

  • জহির

    ২৩ বছর! একটা মানুষকে এতদিন কারাগারে রাখা হয়েছে, আর কেসটা এখনো pending? এটা কি আদৌ বিচার, নাকি political revenge ?

  • ফারজানা

    মুক্তিযোদ্ধা, আর তাঁর প্রতি এমন ব্যবহার? এতে দেশের সেই সব মুক্তিযোদ্ধাদের dignity নষ্ট হচ্ছে যারা দেশের জন্য লড়াই করেছেন।

  • রুহুল

    বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে ধরেছে, কিন্তু সরকার যদি সত্যিই স্বচ্ছ হয়, তাহলে কেন এতদিন কিছু করছে না? চাপ না থাকলে কি decision হবে?

  • সৌমিক

    আমি মানুষের মুক্তির পক্ষে, কিন্তু আইনের প্রক্রিয়া শেষ হোক। আপিল বিভাগ যদি রায় দেয়, তখন সবাই মেনে নেবে। মানববন্ধন নয়, আইনের শাসন চাই।

  • তানভীর

    গাজীপুরের মানুষ ক্ষুব্ধ। একজন বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধাকে এভাবে ফাঁসানো হয়েছে, সেটা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে anger আছে। এটা শুধু রাজনীতি নয়, মানবিক সংকট।

  • মুনতাসির

    এটা দেখে মনে হয়, আইন কখনো সবার জন্য সমান নয়। যদি তিনি বিপ্লবী না হতেন, তাহলে হয়তো এতদিনে মুক্তি পেতেন। সরকারের প্রতি আস্থা fading

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]