ইরান-ওমান ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ নিয়ে সতর্কতা, শান্তি আলোচনার নতুন উদ্যোগ
গত সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আলবুসাইদির সঙ্গে phone call আঞ্চলিক শান্তি আলোচনার সর্বশেষ update নিয়ে কথা বলেন। এই talk তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘destructive interference ’ অভিযোগ তোলেন এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর নিজস্ব নিরাপত্তা decision নেওয়ার ক্ষমতা নিয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন।
ওমান এ অঞ্চলে মধ্যস্থতার মূল খুঁটি হিসেবে কাজ করে আসছে, বিশেষ করে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে। গত ৮ এপ্রিল তারা বর্তমান ceasefire প্রক্রিয়াকে welcome জানায়। আলবুসাইদি hope প্রকাশ করেছেন যে খুব শিগগিরই এখানে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফিরে আসবে। তিনি উল্লেখ করেন, গত ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর আগে মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি deal কাছাকাছি ছিল।
গত ১১-১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং পাকিস্তান একটি ত্রিপক্ষীয় meeting অনুষ্ঠিত করে, যার নেতৃত্ব দেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। এই বৈঠকের ফলাফল নিয়ে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশাবাদী। তবে ওমান ও পাকিস্তান উভয়ই সতর্ক করেছে যে, peace স্থায়ী করতে হলে উভয় পক্ষকেই কিছু hard concessions দিতে হবে।
অন্যদিকে, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ আরাগচির সঙ্গে আলাদা আলোচনা করে মস্কোর পক্ষ থেকে মধ্যস্থতার ইচ্ছা জানান। এদিকে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত ব্যাপক casualties ও অবকাঠামোগত damage হয়েছে। পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌ-অবরোধের threat এখনও উত্তেজনা বজায় রেখেছে।
ওমান আশা করছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দ্বিতীয় দফার সরাসরি আলোচনা শুরু হলে একটি lasting solution পথ উন্মোচিত হবে। আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে বিশ্বাস গড়ে তোলা এখন সবচেয়ে বড় challenge , যেখানে মধ্যস্থতাকারীদের ভূমিকা হবে নির্ণায়ক। যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে ইরানের সন্দেহ কমানো হলে শান্তি প্রক্রিয়া আরও quickly এগোতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই নিজের interest স্বার্থ চায়। তাদের হস্তক্ষেপ যদি বন্ধ না হয়, শান্তি কখনই টেকসই হবে না।
ওমান আসলে একটা অসাধারণ mediator মধ্যস্থতাকারী। তারা কখনও জোর করে কিছু চাপায় না, শুধু সুযোগ তৈরি করে।
কঠিন ছাড় মানেই তো ক্ষমতা হারানোর fear ভয়। উভয় পক্ষই সেটা পছন্দ করবে না।
মার্কিন নৌবাহিনীর presence উপস্থিতি নিয়ে ইরান স্বাভাবিকভাবেই সতর্ক। এটা কোনো গোপন কথা না।
শান্তি আলোচনা ভালো, কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে trust আস্থা না তৈরি হবে, ততক্ষণ কিছু হবে না।
আগামী কয়েক দিনই সিদ্ধান্ত নেবে। এই window সুযোগ নষ্ট করলে আবার রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হবে।