ইরান-ওমান ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ নিয়ে সতর্ক আরাগচি
গত সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আলবুসাইদির সঙ্গে phone call আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতি ও ইসলামাবাদে চলমান শান্তি আলোচনার সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে গভীর আলোচনা করেন। এই আলোচনা মূলত পারস্য উপসাগরে দীর্ঘদিনের উত্তেজনাকে risk হিসেবে দেখছে, আর সেই প্রেক্ষিতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা ত্বরান্বিত হচ্ছে।
আরাগচি এই আলাপে foreign interference এড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এমন একটি হস্তক্ষেপ যা তাঁর মতে destructive । তিনি স্পষ্ট জানান, আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়গুলোতে বহিরাগত শক্তির প্ররোচনা ছাড়াই স্থানীয় দেশগুলো সক্ষম। এই মন্তব্যে pressure ছিল স্পষ্ট—বহিঃশক্তি যেন নিজেদের স্বার্থে আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ না নেয়।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলবুসাইদি শান্তি প্রক্রিয়ায় আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, খুব quickly এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ফিরে আসবে। ওমান দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন ও ইরানি সম্পর্কের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে আসছে। তাদের ভূমিকা এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, কারণ গত ফেব্রুয়ারি মাসে যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন-ইরানি চুক্তি ছিল খুব কাছাকাছি। তবে সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল।
গত ১১-১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে হওয়া ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। এই বৈঠকের পর যুদ্ধবিরতি ঘটে, যা ওমান ও পাকিস্তান উভয় দেশই স্বাগত জানিয়েছে। তবে তারা সতর্ক করেছে যে, এটি স্থায়ী করতে হলে উভয় পক্ষকেই কিছু hard decisions নিতে হবে। এ ছাড়া, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও আরাগচির সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং মস্কো মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে।
এ পর্যন্ত যুদ্ধে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বর্তমান যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর, আর মার্কিন নৌ-অবরোধের হুমকি পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীতে tension এখনও চরমে। ওমানের আশা—আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দ্বিতীয় দফার সরাসরি আলোচনা শুরু হলে একটি lasting solution সম্ভব হবে।
যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই শান্তি চায়, তবে তার military presence সামরিক উপস্থিতি কমানো উচিত, না হলে কথার কোনো মানে হয় না।
ওমানের ভূমিকা প্রশংসার দাবি রাখে। তারা নিরপেক্ষ থেকে শান্তির জন্য support সমর্থন জোগাচ্ছে।
আরাগচির কথায় trust আস্থা ফিরছে না—‘ধ্বংসাত্মক হস্তক্ষেপ’ বলতে গিয়ে নিজেদের দায় ঘোরাচ্ছেন না তো?
ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি। একটু হলেই আবার আগুন জ্বলে উঠবে। market impact বাজারের উপর প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়ছে।
মার্কিন প্রতিনিধি হিসেবে ভ্যান্স? রাজনৈতিক বিবেচনায় পাঠানো হয়েছে নাকি সত্যিকারের peace effort শান্তি চেষ্টা?
আগামী কয়েক দিনে আরও আলোচনা হবে শুনছি। আশা করি সেগুলো direct talks সরাসরি আলোচনা হবে, না হলে কোনো ফল হবে না।