যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরাতে চায় ফ্রান্স

মধ্যপ্রাচ্চে বাড়ছে tension , আর সেখান থেকেই উঠে এলো একটি জরুরি আহ্বান। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানকে new talks ফিরতে বলেছেন। তাঁর মতে, শান্তি ফিরিয়ে আনতে হলে কথা বলা ছাড়া বিকল্প নেই। সোমবার তিনি পৃথকভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেন এই warning দিতে।

গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে হওয়া আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে, কোনো agreement হয়নি। ম্যাখোঁ এটি নিয়ে জানিয়েছেন, "ভুল বোঝাবুঝি দূর করা এবং আরও বড় crisis এড়াতে আলোচনা আবার শুরু করা অত্যন্ত জরুরি।" সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই appeal করেন, যেখানে তিনি বিশেষভাবে লেবাননসহ সংশ্লিষ্ট সব অঞ্চলে ceasefire কঠোরভাবে মেনে চলা বাঞ্ছনীয় বলে উল্লেখ করেন।

ম্যাখোঁ হরমুজ প্রণালী নিয়েও জোর দিয়েছেন। তিনি চান এই কৌশলগত পথটি যেন কোনো restriction ছাড়াই দ্রুত খুলে দেওয়া হয়। তাঁর যুক্তি, এটি করলে আলোচনার পরিবেশে positive impact পড়বে। তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী, আগামী শুক্রবার ফ্রান্স ও ব্রিটেন যৌথভাবে একটি ভিডিও কনফারেন্সের আয়োজন করবে, যেখানে নৌ-চলাচলের freedom রক্ষার জন্য একটি 'প্রতিরক্ষামূলক মিশন' নিয়ে আলোচনা হবে।

অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান ব্যর্থতার কারণ খুঁজে পাচ্ছেন মার্কিন পক্ষের 'অতিরিক্ত দাবি' এবং 'রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে'। ফার্স নিউজের মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট করেন, হুমকি ও চাপ দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না, বরং সেটা পরিস্থিতিকে worsen করবে। তিনি মনে করেন, আমেরিকা নিজের তৈরি সমস্যাকেই বাড়িয়ে তুলছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই পাল্টা অবস্থানের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের stability কোথায় দাঁড়াবে? আন্তর্জাতিক মহল এখন কান খাড়া করে শুনছে। কারণ, কথা যদি না হয়, তবে risk তো বাড়বেই—বাজার, জনজীবন, আর আঞ্চলিক security সবই নাড়া খাবে।

প্রতিক্রিয়া 6

  • সুমিত

    হুমকি আর ব্যাকফুটে ফেরার মধ্যে কি আসলে আলোচনা হতে পারে? pressure দিলে তো সমাধান নয়, আরও দূরত্ব বাড়ে।

  • তানিয়া

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র লেবানন ইস্যুটা আলোচনার বাইরে রাখতে চায়? এটা কি সত্যিই সম্ভব? conflict তো বাছাই করে নেওয়া যায় না।

  • রাফি

    হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা না হলে market অস্থিতিশীল হয়ে যাবে।

  • মৌসুমী

    ম্যাখোঁ যখন বলছেন কথা বলা জরুরি, তখন কেন দুই পক্ষই কান বন্ধ করে? trust তো প্রথমে একটু দেখাতে হবে।

  • অজানা

    ইরানের প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে, তারা আসলে আলোচনায় আসতে চায় না। নাকি মার্কিন demands সত্যিই অতিরঞ্জিত?

  • ব্রিজ

    প্রতিরক্ষামূলক মিশন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, কিন্তু কে কার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা করবে? decision নেওয়ার আগে প্রশ্ন করা উচিত।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]