‘ছাত্র রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে’— মির্জা ফখরুলের হুঁশিয়ারি
শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে একটি স্মৃতিসভা হচ্ছিল, কিন্তু আলোচনা চলে গেল ভবিষ্যতের রাজনীতির মূল ভিত্তি নিয়ে। বিএনপির মহাসচিব leadership নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট করে দিলেন—campus যদি ছাত্র রাজনীতি সত্যিকার ছাত্র রাজনীতি না হয়, তবে তা control করা হবে। এটা কোনো হুমকি নয়, বরং এক ধরনের warning —যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো politics দিয়ে ভরে গেলে মেধা হারিয়ে যাবে, আর তার দাম দেবে দেশ।
তিনি দাবি করলেন, অর্থনীতি পুনর্গঠন এখন জরুরি, কারণ দেশের আর্থিক অবস্থা ‘ধ্বংস’ হয়ে গেছে। লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার দেনা, সব frozen । তার মধ্যে আবার division ঘটানো বা অযথা debate সময় নষ্ট করা যাবে না। এই পৃথিবীতে আর কতদিন থাকব, জানি না—কিন্তু নতুন প্রজন্মের জন্য দায়িত্ব আছে, বললেন তিনি।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের যুগে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ছে বলেও তিনি concern প্রকাশ করেন। পৃথিবী এখন competition আর technology কাছে এগিয়ে, আর আমরা যদি নিজেদের prepare না করি, তবে অন্য শক্তির কাছে নির্ভরশীল হয়ে পড়ব। এই প্রযুক্তির যুগে আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন করে গড়ে তুলতে হবে বলে তিনি জোর দিলেন।
জুলাই সনদ আর সংবিধান নিয়ে তর্কের কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এগুলো নিয়ে আলোচনা হবেই, কিন্তু অপপ্রচার বা political উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা চলবে না। তিনি নিজে এবং সালাহউদ্দিন আহমদ sign করেছিলেন, কিন্তু ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রাখার কথা স্পষ্ট করেছিলেন। তারপরও কিছু বিষয় যেভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, তা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে বলে তিনি মনে করেন।
বিএনপি সংস্কারের জনক, দাবি করেছেন তিনি। শহীদ জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, বেগম খালেদা জিয়া government ব্যবস্থায় পার্লামেন্টারি ফর্ম আনলেন। এগুলো ছিল সত্যিকারের সংস্কার। আর এখন জামায়াতের নেতৃত্বে কিছু দল জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ইস্যুতে আন্দোলন করছে—এটা মানুষকে confuse করার চেষ্টা, মনে করেন মির্জা ফখরুল। বিএনপি সংসদের মাধ্যমেই সমাধান চায়।
ক্যাম্পাসে merit মেধা-ভিত্তিক নিয়োগ হোক, এটা ঠিকই বলেছেন। কিন্তু বাস্তবে তো দলীয় loyalty আনুগত্য বেশি কাজে লাগে।
অর্থনীতি ধ্বংস হয়েছে—এটা ঠিক, কিন্তু সেই ধ্বংসের জন্য কে দায়ী? সে তো বললেন না।
আমরা অনেক পিছিয়ে আছি, কিন্তু technology প্রযুক্তি নিয়ে কোনো বিনিয়োগ নেই। শুধু বক্তৃতা দিলে হবে না।
যদি ছাত্র রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তাহলে কি স্বাধীনতা থাকবে? এটা নিয়ন্ত্রণ নাকি চাপ?
জামায়াতের নেতৃত্বে আন্দোলন? সেটা নিয়ে প্রমাণ কোথায়? এটা কি বর্ণনা নাকি বাস্তবতা?
‘নোট অব ডিসেন্ট’ বলা হয়েছিল, কিন্তু সেটা নিয়ে কেন আলোচনা হচ্ছে না? খুব important গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
আমরা তো দেখেছি—সংস্কারের নামে অনেক সময় শুধু রাজনৈতিক লাভ তোলা হয়।
ভাই, সব কথাই বললেন, কিন্তু কখন কাজ শুরু হবে? action কর্ম চাই, আরও hope আশা নয়।