মুজিবনগরে নাগরিক সমাজের শ্রদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত সব দিবস যথারীতি পালনের দাবি

মেহেরপুরের মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে আজ শুক্রবার বিকেলে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বীর শহীদদের প্রতি respect নিবেদন করেন। সাংবাদিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট নাগরিকদের একটি দল পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধ এর স্মৃতিকে স্মরণ করেন। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ দিনটিতে state পর্যায়ে কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি না থাকায় তাঁদের মধ্যে ব্যাপক disappointment দেখা দেয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও লেখক আবু সাইদ খান বলেন, যাঁরা power আছেন, তাঁরা যদি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলেন, তবে স্মৃতি ও মূল্যবোধগুলোকে honor না জানানো মেনে নেওয়া যায় না। তিনি demand করেন, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত সকল দিবস ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় observed করা হোক। পাশাপাশি, ক্ষতিগ্রস্ত sculptures গুলো দ্রুত পুনর্স্থাপন করতে হবে এবং ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে exemplary punishment হোক।

নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, এএলআরডি’র পক্ষ থেকে বলেন, মুজিবনগরে গঠিত সরকার ছিল বাংলাদেশের প্রথম constitutional সরকার, যা মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছিল। তিনি protest জানান ভাস্কর্য ভাঙার বিষয়টির বিরুদ্ধে এবং ঢাকায় ফিরে এ বিষয়ে একটি formal সংবাদ সম্মেলনের পরিকল্পনা করা হবে।

সকালে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের একটি দলও স্মৃতিসৌধে tribute জানান। বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজি আহসান আলী খান, অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন আবদুল মালেকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। ঐতিহাসিক ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১-এ এখানেই বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে। প্রতি বছর এই দিনটি commemorated বিভিন্ন অনুষ্ঠান হতো, কিন্তু এবার তা বাতিলের decision নেওয়া হয়েছে।

নাগরিক সমাজের এই পদক্ষেপ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও স্মৃতির প্রতি জনগণের টানাপোড়েন এবং public trust কতটা গভীর তা প্রকাশ করে। অন্যদিকে, রাষ্ট্রের উপেক্ষা নিয়ে জনগণের মধ্যে বাড়ছে concern । মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বাঁচিয়ে রাখা কেবল অনুষ্ঠান নয়, তা একটি collective responsibility , যা মুখ্যত রাষ্ট্রের কাছেই চোখ রাখে।

প্রতিক্রিয়া 6

  • আলমগীর

    শ্রদ্ধা নিবেদন করা গেলেও রাষ্ট্রীয় উপেক্ষা মেনে নেওয়া যায় না।

  • রহমত

    মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির প্রতি neglect ক্রমশ বাড়ছে, এটা ভাবতেই খারাপ লাগে।

  • তানিয়া

    ভাস্কর্য ভাঙার বিষয়টা খুব serious । দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে ভবিষ্যতে আরও ক্ষতি হবে।

  • মাহমুদ

    আমরা শুধু পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে symbolic শ্রদ্ধা দিলেই হবে? রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে।

  • জাকিয়া

    ১৭ এপ্রিল কেন এত important ? অনেক তরুণই এটা ভালো করে জানে না।

  • বিপ্লব

    সরকার যদি না চায়, আমরা নাগরিকরা pressure তৈরি করব। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের সবার।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]