আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করলেন রুবেল হোসেন
বাংলাদেশ ক্রিকেটে একসময় তরুণদের মধ্যে new hope হিসেবে পরিচিত ছিলেন রুবেল হোসেন। তাঁর স্লিঙ্গিং অ্যাকশন আর বেপরোয়া পেসে অল্প সময়ের মধ্যেই জাতীয় দলে জায়গা করে নেন। কিন্তু আঘাত, ফিটনেসের চাপ এবং পারফরম্যান্সের dip তাঁকে ধীরে ধীরে মাঠের বাইরে ঠেলে দেয়। এবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি ঘোষণা করলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে তাঁর retirement এসেছে।
২০২১ সালের এপ্রিলে নিউজিল্যান্ড সফরে যোগ দেওয়ার পর আর জাতীয় দলে জায়গা পাননি রুবেল। সেই সময় থেকে তাঁর প্রত্যাবর্তনের chance ক্রমশ কমতে থাকে। তবে কাগজে-কলমে এখনো খেলোয়াড় হিসেবে ছিলেন তিনি। এবার সেই দ্বিধা দূর করে তিনি লিখেছেন, 'জাতীয় দল আমার আবেগ। কিন্তু একটা সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতেই হতো।' এই বিদায়ের সিদ্ধান্তটি শুধু ক্রিকেট নয়, একটি যুগের ইতি টানার moment ।
বাংলাদেশের হয়ে তিনি সবচেয়ে স্মরণীয় পারফরম্যান্স করেছিলেন ২০১৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ম্যাচের ৪৯তম ওভারে ব্রড ও অ্যান্ডারসনকে আউট করে তিনি জয়ের দরজা খুলে দেন। এছাড়া ২০১৩ সালে মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ উইকেট নেওয়া তাঁর ক্যারিয়ারের শীর্ষ কৃতিত্ব। ওয়ানডেতে ১২৯ উইকেট এবং টেস্টে ৩৬ উইকেট নেওয়া রুবেল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ contributor হিসেবে থাকবেন।
যদিও ঘরোয়া ক্রিকেটে আর নিয়মিত তাঁকে দেখা যাচ্ছে না। ২০২০ সালের পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেননি তিনি। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের সর্বশেষ আসরে কোন দল তাঁকে নিলামে নেয়নি। তবুও তিনি জানিয়েছেন, ঘরোয়া ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার plan রয়েছে। এই ঘোষণায় অনেকের মনে প্রশ্ন জাগছে—আদৌ কি সেই মাঠে ফিরবেন? তবে তাঁর প্রতি সমর্থন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ভক্তরা।
রুবেলের ক্যারিয়ার ছিল উজ্জ্বল কিন্তু সংক্ষিপ্ত। তরুণ বয়সে বড় সাফল্য পাওয়া হলেও দীর্ঘস্থায়ী হওয়া হলো না। তাঁর মতো পেসারদের পথে পারফরম্যান্সের pressure আর ফিটনেসের challenge সবসময় বড় বাধা। তবুও তাঁর অন্যতম ম্যাচ বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এখন তাঁর জন্য প্রশ্ন শুধু একটাই—ভবিষ্যতে কোন ভূমিকায় দেখা যাবে এই পেসারকে?
২০১৫-এর ইংল্যান্ড ম্যাচটা আমি কখনো ভুলব না। রুবেলের ওই শেষ ওভার... সত্যিই magical আশ্চর্য ছিল।
অবসর ঘোষণা করার সিদ্ধান্তটা দেরিতে হলেও এখন এটাই ছিল যথার্থ। পারফরম্যান্সের decline অবনতি আর কোনো দলে না খেলার চেয়ে এটাই ভালো।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় হলেও ঘরোয়া মাঠে ফিরবেন নাকি, সেটাই তো প্রশ্ন। ২০২০-এর পর তো কিছু খেলেননি, ফিটনেস level স্তর কেমন?
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের যুব প্রোগ্রামগুলো যদি আরও ভালো হতো, তাহলে রুবেলের মতো প্রতিভাদের ক্যারিয়ার হয়তো লম্বা হত। system ব্যবস্থা এখনো দুর্বল।
রুবেল হোসেন কখনোই নিয়মিত দলের অংশ হতে পারেননি, কিন্তু যখনই খেলেছেন, ম্যাচ বদলে দিয়েছেন। এমন খেলোয়াড়দের স্মরণ করা জরুরি।
অবসর নেওয়ার পর কোচিংয়ে যাবেন নাকি? বা কমেন্টেটর? ক্যারিয়ার শেষে এমন খেলোয়াড়দের জন্য support সমর্থন দরকার।