স্বৈরাচারের ভূত এখন বিরোধী দলের ঘাড়ে চড়ে বসেছে

দেড় যুগের ফ্যাসিবাদী শাসনের পর জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আসা বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো তার পৈতৃক জেলা বগুড়াতে সফর করলেন। গতকাল আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত বিশাল public rally তিনি বলেন, ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মুখে পালিয়ে যাওয়া authoritarian ghost এখন বিরোধী দলের ঘাড়ে চড়ে বসেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশকে বিভ্রান্ত করেছিল, তারাই আজ সরকারের development reform বন্ধ করতে নতুন যড়যন্ত্র করছে।

বগুড়ার স্থানীয়দের দীর্ঘমেয়াদি দাবি মেটাতে তিনি বগুড়া-সিরাজগঞ্জ সরাসরি রেললাইন নির্মাণের announcement দেন। সেইসাথে উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য রপ্তানির সুবিধার্থে বগুড়া বিমানবন্দরে cargo flight চালু এবং ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়’ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর প্রতিশ্রুতি পূরণ শুরু করতেই একটি চক্র সংসদের ভিতরে এবং বাইরে confusion ছড়াচ্ছে। পাশাপাশি তিনি বিগত বিভিন্ন নির্বাচনে বিরোধীদের গণতন্ত্রবিরোধী শক্তির সহযোগিতার ইতিহাস তুলে ধরেন।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রাপ্ত ম্যান্ডেটের ভিত্তিতে দেশ পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড চালু হয়েছে এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কাজও শুরু হয়েছে। তিনি ঘোষণা করেন, বেগম খালেদা জিয়ার ২০১৬-এর সংস্কার প্রস্তাব এবং বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে তৈরি জুলাই সনদের প্রতিটি বিষয় তারা implementation করবে।

সফরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী e-bail bond কার্যক্রম চালু করেন। তিনি বলেন, আদালতকে ন্যায়বিচারের স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান এবং এতে জামিননামা জালিয়াতি বন্ধ হবে। তিনি আইনমন্ত্রীকে টাকার অভাবে আটক কয়েদিদের মুক্তির জন্য special directive দেন। বগুড়া পৌরসভাকে ১৩তম সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয় এবং তিনি একে model town হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী গাবতলীর বাগবাড়ীতে ৯১১টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করেন। সেখানে তিনি দলীয় গানে কণ্ঠ দেন, হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি ও চৌকিদহ খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেন। বিকেলে বাইতুর রহমান মসজিদ পুনর্নির্মাণ এবং বগুড়া প্রেস ক্লাবের বহুতল ভবনের উদ্বোধন করেন। প্রতিটি অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান। স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন এবং সফরের কারণে বগুড়া উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে।

প্রতিক্রিয়া 8

  • আলমগীর

    বিরোধীদের ঘাড়ে ভূত? মজার চিত্রণ, কিন্তু real cost কি জনগণ বহন করবে?

  • শান্তি

    গত সরকারের সময় যখন কার্গো বিমান নিয়ে কথা বলা হয়নি, তখন কোথায় ছিল এই concern ?

  • রাবেয়া

    ফ্যামিলি কার্ড ভালো, কিন্তু আমার এলাকায় এখনো distribution হয়নি। আশা করি শুধু ঘোষণা না হয়।

  • মুন্না

    ২০ হাজার কিমি খাল খনন? বাস্তবায়নের timeline কী, নাকি আবার পুরনো গল্প?

  • সুমি

    ই-বেইলবন্ড চালু হলে আইনি হয়রানি কমবে। এটা হবে বড় relief

  • নূর

    জুলাই সনদ নিয়ে কথা বলছেন, কিন্তু কোন স্বাধীন সংস্থা তার progress মনিটর করবে?

  • বিপ্লব

    বগুড়াকে মডেল টাউন বানানো হবে, কিন্তু পূর্বাঞ্চলের মানুষ কি এখনো excluded পড়বে?

  • তানজিন

    সব ঘোষণার মধ্যে public trust ফিরে পাওয়াই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]