হামের ছায়ায় নতুন মৃত্যু: ৯ শিশু চিরতরে ঘুমিয়ে গেল
measles আর তার symptoms এখন শুধু একটি রোগ নয়, দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এক মারাত্মক স্বাস্থ্য সংকট। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশু হারিয়ে গেল এই রোগে, তাদের মধ্যে ৫ জনই ছিল ঢাকার বাসিন্দা। তিন শিশুর diagnosis হয়েছিল সরাসরি হামে, আর বাকি ৬ জনের দেহে ছিল রোগটির তীব্র symptom । এই ছোট্ট প্রাণগুলো চিরতরে চোখ মুদে দিল চিকিৎসার আশায়, কিন্তু আশা কাজ করল না।
মহাখালীর ডিএনসিসি হাসপাতালে এখনও অনেক শিশু treatment নিচ্ছে, কোলে অভিভাবক, চোখে ভয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ২৭৬ শিশুর শরীরে হামের sign দেখা দিয়েছে। একটি সময়ে হামকে নিয়ন্ত্রণের দাবি করা হত, কিন্তু এখন সেই নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হচ্ছে। হাসপাতালে admission হচ্ছে নতুন নতুন রোগী, আর প্রতিবেদনে যোগ হচ্ছে মৃত্যুর অংক।
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গে ২২৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৪৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছিল। এই সময়ে ৩৪ হাজার ৬৬২ শিশুর শরীরে হামের symptoms দেখা দিয়েছে, আর ২৩ হাজার ৩৪৮ জনকে hospitalize করা হয়েছে। যদিও ১৯ হাজার ৯৯১ শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে, সেই খবর দিয়েও বিষাদ কাটে না। প্রতিটি মৃত্যু একটি পরিবারের ভাঙা স্বপ্ন, একটি সমাজের হারানো ভবিষ্যৎ।
৪ হাজার ৮৫৬ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে গত ১৫ মার্চ থেকে। প্রশ্ন ওঠে, কেন এতটা দ্রুত ছড়াচ্ছে রোগটি? কোথায় ব্যর্থ হচ্ছে vaccination কর্মসূচি? কেন নিরাময়যোগ্য একটি রোগ আবার ফিরে এল মৃত্যু বয়ে আনতে? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকা না নেওয়া, অবহেলা, আর দ্রুত জনসংখ্যা ঘনত্বের মধ্যে রোগ ছড়ানোর risk এর পিছনে কাজ করছে। এখন প্রতিটি পদক্ষেপই হতে হবে তাৎক্ষণিক আর কার্যকর।
এই তথ্যগুলো মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। কিন্তু তথ্য শুধু সংখ্যা নয়, এর পিছনে আছে হাজার হাজার ভয়াবহ রাত, মায়েদের কান্না, বাবাদের চোখের আলো নিভে যাওয়া। হাম শুধু শারীরিক infection নয়, এটি সামাজিক ব্যবস্থার একটি প্রতিফলন। আমরা কি আর অপেক্ষা করব, নাকি এখনই পদক্ষেপ নেব সমষ্টিগত ভাবে? প্রতিটি শিশুর জীবন মূল্যবান, আর প্রতিটি মৃত্যু একটি সতর্কবাণী।
আমার ছোট্ট মেয়ের জ্বর আছে, চিন্তায় আছি। measles হাম কি এখন আরও বেশি ছড়াচ্ছে?
টিকা না নেওয়া শিশুদের মধ্যে ঝুঁকি অনেক বেশি। প্রতিটি পিতামাতাকে সচেতন হতে হবে।
সরকার কি করছে? হাসপাতালগুলোতে treatment চিকিৎসার ব্যবস্থা কি যথেষ্ট?
এখন প্রতিবেদন দেখে বুঝি, আমাদের পাড়ায় একটা শিশু মারা গেছে। এটা কি আসলেই এড়ানো যেত?
প্রতিটি মায়ের হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে এই খবরে। আমাদের সমাজকে আবার সচেতন হতে হবে।
হাসপাতালে ভিড় বাড়ছে, কিন্তু hospitalize ভর্তি হওয়া শিশুদের সংখ্যা কমানো কীভাবে সম্ভব?
টিকা দেওয়া উচিত বাধ্যতামূলক, নইলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।
একটা সময় হাম মানেই সামান্য জ্বর, এখন মৃত্যু। কী পরিবর্তন!